ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

জলঢাকায় নকল ওষুধ বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার ১, ৩ মাসের কারাদণ্ড

ঝকঝকে প্যাকেট ও নামিদামি কোম্পানির নাম দেখে বোঝার উপায় নেই যে এসব ওষুধ নকল! কৌশলে বড় বড় কোম্পানির নামের সিল মেরে নকল ওষুধ বাজারে ছাড়ছে প্রতারকচক্র।

নীলফামারীর জলঢাকায় স্কয়ার কোম্পানির নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে মৃনাল অধিকারী (২৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সোমবার (৩ মার্চ ২০২৬) রাত ১১টায় জলঢাকা শহরের মেসার্স অনিন্দ্য ফার্মেসিতে স্কয়ার কোম্পানির নামে নকল ওষুধ বিক্রি করতে এলে সন্দেহের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। এ সময় অনিন্দ্য ফার্মেসির মালিক মাহবুবুর রহমান মনি বিষয়টি স্কয়ার কোম্পানির মেডিকেল প্রমোশনাল অফিসার তাসলিম আলম খানকে ফোনে জানান।

খবর পেয়ে তাসলিম আলম খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওষুধগুলো পরীক্ষা করে জানান, এগুলো স্কয়ার কোম্পানির প্রকৃত পণ্য নয়; বরং ভুয়া কোম্পানির তৈরি নকল ওষুধ। পরে তিনি বিষয়টি তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

পরবর্তীকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত অভিযুক্ত মৃনাল অধিকারীকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা নকল ওষুধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চৌদ্দগ্রামে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

জলঢাকায় নকল ওষুধ বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার ১, ৩ মাসের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:৫১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ঝকঝকে প্যাকেট ও নামিদামি কোম্পানির নাম দেখে বোঝার উপায় নেই যে এসব ওষুধ নকল! কৌশলে বড় বড় কোম্পানির নামের সিল মেরে নকল ওষুধ বাজারে ছাড়ছে প্রতারকচক্র।

নীলফামারীর জলঢাকায় স্কয়ার কোম্পানির নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে মৃনাল অধিকারী (২৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সোমবার (৩ মার্চ ২০২৬) রাত ১১টায় জলঢাকা শহরের মেসার্স অনিন্দ্য ফার্মেসিতে স্কয়ার কোম্পানির নামে নকল ওষুধ বিক্রি করতে এলে সন্দেহের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। এ সময় অনিন্দ্য ফার্মেসির মালিক মাহবুবুর রহমান মনি বিষয়টি স্কয়ার কোম্পানির মেডিকেল প্রমোশনাল অফিসার তাসলিম আলম খানকে ফোনে জানান।

খবর পেয়ে তাসলিম আলম খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওষুধগুলো পরীক্ষা করে জানান, এগুলো স্কয়ার কোম্পানির প্রকৃত পণ্য নয়; বরং ভুয়া কোম্পানির তৈরি নকল ওষুধ। পরে তিনি বিষয়টি তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

পরবর্তীকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত অভিযুক্ত মৃনাল অধিকারীকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা নকল ওষুধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।