নীলফামারীর জলঢাকায় নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৩ মার্চ ২০২৬) রাতে শহরের একটি ফার্মেসিতে নামকরা কোম্পানির মোড়কে নকল ওষুধ বিক্রি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন ওই ব্যক্তি। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার রাত ১১টার দিকে জলঢাকা শহরের মেসার্স অনিন্দ্য ফার্মেসিতে স্কয়ার কোম্পানির নামে নকল ওষুধ বিক্রি করতে আসেন মৃনাল অধিকারী (২৫) নামের এক ব্যক্তি। তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ফার্মেসির মালিক মাহবুবুর রহমান মনি তাৎক্ষণিকভাবে স্কয়ার কোম্পানির মেডিকেল প্রমোশনাল অফিসার (এমপিও) তাসলিম আলম খানকে ফোনে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে তাসলিম আলম খান দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওষুধগুলো পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি নিশ্চিত করেন যে, এগুলো স্কয়ার কোম্পানির প্রকৃত পণ্য নয়, বরং একটি ভুয়া চক্রের তৈরি নকল ওষুধ। তিনি সঙ্গে সঙ্গে তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
পরবর্তীকালে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত অভিযুক্ত মৃনাল অধিকারীকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝকঝকে প্যাকেট ও নামিদামি কোম্পানির নাম ব্যবহার করে প্রতারকচক্র কৌশলে নকল ওষুধ বাজারে ছাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ নকল ওষুধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















