ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ-৩: কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়

## শিরোনাম: উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা: নবনির্বাচিত এমপির সঙ্গে কোটালীপাড়া সাংবাদিকদের মতবিনিময়

লিড প্যারাগ্রাফ: গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এসএম জিলানীর সঙ্গে এক ফলপ্রসূ মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সদস্যরা। সোমবার রাতে টুঙ্গিপাড়ায় এমপির বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে স্থানীয় উন্নয়ন, জনসেবা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বিস্তারিত বর্ণনা:

সোমবার (২ মার্চ) রাতে টুঙ্গিপাড়ায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এসএম জিলানীর ব্যক্তিগত বাসভবনে এক বিশেষ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, সহসভাপতি কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক কালাম তালুকদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সাংবাদিক প্রতিনিধিদল কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার সামগ্রিক উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যমান অনিয়ম, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন, খাল খনন, কৃষি ও মৎস্য খাতে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি, বেকারত্ব নিরসন এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এছাড়া, সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমের কার্যকর সমন্বয় এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

জবাবে, সংসদ সদস্য এসএম জিলানী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি জনগণের সেবা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই বিজয়কে তিনি কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার সর্বস্তরের মানুষের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জনগণের আস্থা রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নির্বাচনের পূর্বে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন এবং রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান সহ প্রতিটি খাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন নিশ্চিত করে সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন।

এমপি জিলানী নিজেকে দলমত নির্বিশেষে সকলের সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, যারা তাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি, সকলের কল্যাণেই তিনি কাজ করবেন। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের স্বার্থকে রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য তার দরজা সবসময় খোলা থাকবে এবং তাদের সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুনবেন। জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রেখে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে এসএম জিলানী বলেন, তিনি নিজে কোনো দুর্নীতি করবেন না এবং কাউকেও দুর্নীতি করতে দেবেন না। সরকারি বরাদ্দের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করতে তিনি কঠোর নজরদারি রাখবেন বলে জানান। ঠিকাদারি কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি—সবখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন এবং কোনো কর্মকর্তা বা জনপ্রতিনিধি দায়িত্বে অবহেলা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়নের বিষয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই জেলার উন্নয়নে কোনো কার্পণ্য না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। দেশের অন্যান্য উন্নত জেলার মতো গোপালগঞ্জও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ জেলার প্রতি কোনো বৈষম্য রাখা হবে না। তিনি নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার মান উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

মাদক প্রতিরোধে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এসএম জিলানী বলেন, মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ায় মাদকের কোনো স্থান হবে না এবং মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব যাই থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে থাকার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন—সকলকে একযোগে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। যুবকদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের ইতিবাচক কাজে ব্যস্ত রাখার পরামর্শ দেন তিনি, যাতে তারা মাদকের দিকে ঝুঁকতে না পারে। তিনি কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াকে একটি আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গণমাধ্যমের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তিনি সাংবাদিকদের সত্য তুলে ধরা এবং গঠনমূলক সমালোচনার প্রত্যাশা করেন। কোথাও অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য পেলে তাকে সরাসরি জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একসঙ্গে কাজ করে কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াকে একটি উন্নত ও মডেল আসনে পরিণত করতে চান তিনি।

সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঠিক চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যম সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশ্বাস দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চৌদ্দগ্রামে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জ-৩: কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়

আপডেট সময় : ১১:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

## শিরোনাম: উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা: নবনির্বাচিত এমপির সঙ্গে কোটালীপাড়া সাংবাদিকদের মতবিনিময়

লিড প্যারাগ্রাফ: গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এসএম জিলানীর সঙ্গে এক ফলপ্রসূ মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সদস্যরা। সোমবার রাতে টুঙ্গিপাড়ায় এমপির বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে স্থানীয় উন্নয়ন, জনসেবা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বিস্তারিত বর্ণনা:

সোমবার (২ মার্চ) রাতে টুঙ্গিপাড়ায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এসএম জিলানীর ব্যক্তিগত বাসভবনে এক বিশেষ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, সহসভাপতি কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক কালাম তালুকদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সাংবাদিক প্রতিনিধিদল কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার সামগ্রিক উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যমান অনিয়ম, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন, খাল খনন, কৃষি ও মৎস্য খাতে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি, বেকারত্ব নিরসন এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এছাড়া, সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমের কার্যকর সমন্বয় এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

জবাবে, সংসদ সদস্য এসএম জিলানী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি জনগণের সেবা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই বিজয়কে তিনি কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার সর্বস্তরের মানুষের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জনগণের আস্থা রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নির্বাচনের পূর্বে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন এবং রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান সহ প্রতিটি খাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন নিশ্চিত করে সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন।

এমপি জিলানী নিজেকে দলমত নির্বিশেষে সকলের সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, যারা তাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি, সকলের কল্যাণেই তিনি কাজ করবেন। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের স্বার্থকে রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য তার দরজা সবসময় খোলা থাকবে এবং তাদের সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুনবেন। জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রেখে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে এসএম জিলানী বলেন, তিনি নিজে কোনো দুর্নীতি করবেন না এবং কাউকেও দুর্নীতি করতে দেবেন না। সরকারি বরাদ্দের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করতে তিনি কঠোর নজরদারি রাখবেন বলে জানান। ঠিকাদারি কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি—সবখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন এবং কোনো কর্মকর্তা বা জনপ্রতিনিধি দায়িত্বে অবহেলা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়নের বিষয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই জেলার উন্নয়নে কোনো কার্পণ্য না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। দেশের অন্যান্য উন্নত জেলার মতো গোপালগঞ্জও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ জেলার প্রতি কোনো বৈষম্য রাখা হবে না। তিনি নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার মান উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

মাদক প্রতিরোধে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এসএম জিলানী বলেন, মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ায় মাদকের কোনো স্থান হবে না এবং মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব যাই থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে থাকার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন—সকলকে একযোগে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। যুবকদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের ইতিবাচক কাজে ব্যস্ত রাখার পরামর্শ দেন তিনি, যাতে তারা মাদকের দিকে ঝুঁকতে না পারে। তিনি কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াকে একটি আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গণমাধ্যমের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তিনি সাংবাদিকদের সত্য তুলে ধরা এবং গঠনমূলক সমালোচনার প্রত্যাশা করেন। কোথাও অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য পেলে তাকে সরাসরি জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একসঙ্গে কাজ করে কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াকে একটি উন্নত ও মডেল আসনে পরিণত করতে চান তিনি।

সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঠিক চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যম সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশ্বাস দেন।