ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

শামা ওবায়েদের আসনে জামানত হারালেন ৪ প্রার্থী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুসহ মোট ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের রিকশা মার্কার প্রার্থী শাহ মো. আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট।

ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ বাকী চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। ভোট গণনা শেষে দেখা যায় ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের (আপেল) প্রার্থী আকরামুজ্জামান ৬১৭ ভোট, গণ অধিকার পরিষদের (ট্রাক) ফারুক ফকির ৬৭৫ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) মো. নাজমুল হাসান ২৫৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) প্রার্থী শাহ মো. জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬৮ ভোট। ১১৭টি ভোট কেন্দ্রে অনেক প্রার্থী শূন্য ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সে হিসাবে এই আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট। কিন্তু প্রথম দুজন বাদে বাকি চারজন পেয়েছেন মোট ৩৯১৭ ভোট, যা মোট বৈধ ২ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬ ভোটের শতকরা প্রায় ২ ভাগ। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৩১ ভোটের মধ্যে বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯১৫ ভোট। নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী এই আসনে দুজন বাদে চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোর গ্যাং দমনে খেলাধুলার গুরুত্ব: সংসদ সদস্যের আহ্বান

শামা ওবায়েদের আসনে জামানত হারালেন ৪ প্রার্থী

আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুসহ মোট ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের রিকশা মার্কার প্রার্থী শাহ মো. আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট।

ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ বাকী চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। ভোট গণনা শেষে দেখা যায় ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের (আপেল) প্রার্থী আকরামুজ্জামান ৬১৭ ভোট, গণ অধিকার পরিষদের (ট্রাক) ফারুক ফকির ৬৭৫ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) মো. নাজমুল হাসান ২৫৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) প্রার্থী শাহ মো. জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬৮ ভোট। ১১৭টি ভোট কেন্দ্রে অনেক প্রার্থী শূন্য ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সে হিসাবে এই আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট। কিন্তু প্রথম দুজন বাদে বাকি চারজন পেয়েছেন মোট ৩৯১৭ ভোট, যা মোট বৈধ ২ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬ ভোটের শতকরা প্রায় ২ ভাগ। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৩১ ভোটের মধ্যে বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯১৫ ভোট। নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী এই আসনে দুজন বাদে চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।