রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। নির্বাচনে জয়লাভ করলেও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রাপ্ত ভোট নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজ শেষে শাহজাহানপুরে পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভোট কারচুপির অভিযোগ তোলেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট। ভোটের এই পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, “এই আসনে তাদের এত ভোট থাকার কথা নয়। মূলত ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমেই তারা এত ভোট পেয়েছে।”
নিজের বিজয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিক বলেন, “এই ফলাফলে আমি এবং দেশবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে যে রায় দিয়েছে, তা ঐতিহাসিক। আমরা আশা করি, জনগণ এই রায়ের প্রতিফলন দেখতে পাবে।” নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পর এখন তাদের পরবর্তী প্রজন্মের সঙ্গেও রাজনীতি করতে পেরে তিনি গর্বিত।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ত্রুটির অভিযোগ তুলে মির্জা আব্বাস আরও বলেন, “বিপুল পরিমাণ ব্যালট বাতিল করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটি অন্যায় হয়েছে। বাতিল হওয়া ব্যালটগুলো পুনরায় মূল গণনায় যুক্ত করার জন্য আমরা ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানিয়েছি।”
প্রতিপক্ষের প্রাপ্ত ভোটকে অস্বাভাবিক দাবি করে তিনি বলেন, “আমি বারবারই বলতাম, তারা এখানে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করবে এবং শেষ পর্যন্ত তারা সেটি করেছে। কোন কায়দায় এটি করা হয়েছে তা আমরা বুঝতে পারছি। এটি জাতির জন্য একটি অত্যন্ত খারাপ লক্ষণ।”
রিপোর্টারের নাম 
























