সারাদেশে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা, বাড়িঘর ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অনতিবিলম্বে এ ধরনের সহিংসতা বন্ধ করে নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা দেশে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ দেখতে চাই। কিন্তু যেভাবে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে, তাতে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে। আমাদের এই উদারতাকে যেন কেউ দুর্বলতা হিসেবে গণ্য না করে; তেমনটি ভাবলে তা সংশ্লিষ্টদের জন্যই বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বৈষম্যের অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ব্যালট পেপার সংক্রান্ত একই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন দ্বিমুখী আচরণ করেছে। ঢাকা-৮ আসনে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ঢাকা-১৩ আসনে তার উল্টো পথে হেঁটেছে কমিশন। এমনকি দলের সেক্রেটারি জেনারেলের আসনেও একই ধরণের অন্যায্য সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যৎ রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদের স্থান হবে না। জনগণের সামনে দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাবে।
গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, গণভোটে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। এখন সময় এসেছে ‘জুলাই সনদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার। এই সনদ মূলত একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের ভিত্তি, যা দেশের সামগ্রিক সংস্কারের জন্য অপরিহার্য।
রিপোর্টারের নাম 
























