ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

সংসদ নির্বাচনে লড়ে জয়ী ৪ সংখ্যালঘু প্রার্থী, সবাই বিএনপির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে চারজন প্রার্থী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিজয়ী এই চার প্রার্থীর সবাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের ফলাফল ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে কমিশন। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বিজয়ী সংখ্যালঘু প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা।

ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আসন থেকে জয়লাভ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তিনি ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

মাগুরা-২ আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ১৮ ভোট।

পার্বত্য জেলা বান্দরবান থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচিং প্রু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আবু সাঈদ মো. সূজা উদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। অন্যদিকে, রাঙ্গামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ৭৯ জন সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এর মধ্যে ২২টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে ৬৭ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ১২ জন প্রার্থী লড়াইয়ে ছিলেন।

বিএনপি এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে মোট ৬ জনকে মনোনয়ন দিয়েছিল, যার মধ্যে ৪ জন বিজয়ী হলেও বাগেরহাট-১ আসনের কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ও বাগেরহাট-৪ আসনের সোমনাথ দে পরাজিত হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি থেকে একজন করে সংখ্যালঘু প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তারা জয়ের দেখা পাননি। খুলনা-১ আসনে জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে এনসিপির প্রীতম দাশ পরাজিত হয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছদ্মবেশে মাদক কারবারিদের মোটরসাইকেল আটকে দিলেন এমপি জসিম

সংসদ নির্বাচনে লড়ে জয়ী ৪ সংখ্যালঘু প্রার্থী, সবাই বিএনপির

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে চারজন প্রার্থী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিজয়ী এই চার প্রার্থীর সবাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের ফলাফল ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে কমিশন। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বিজয়ী সংখ্যালঘু প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা।

ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আসন থেকে জয়লাভ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তিনি ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

মাগুরা-২ আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ১৮ ভোট।

পার্বত্য জেলা বান্দরবান থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচিং প্রু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আবু সাঈদ মো. সূজা উদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। অন্যদিকে, রাঙ্গামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ৭৯ জন সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এর মধ্যে ২২টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে ৬৭ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ১২ জন প্রার্থী লড়াইয়ে ছিলেন।

বিএনপি এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে মোট ৬ জনকে মনোনয়ন দিয়েছিল, যার মধ্যে ৪ জন বিজয়ী হলেও বাগেরহাট-১ আসনের কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ও বাগেরহাট-৪ আসনের সোমনাথ দে পরাজিত হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি থেকে একজন করে সংখ্যালঘু প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তারা জয়ের দেখা পাননি। খুলনা-১ আসনে জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে এনসিপির প্রীতম দাশ পরাজিত হয়েছেন।