ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) দ্রুততম সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ এই আশ্বাস দেন।
সচিব জানান, দেশব্যাপী মোট ২৯৯টি সংসদীয় আসনে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক গণনা শেষে কমিশন নিশ্চিত করেছে যে, এবারের নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, ২৯৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া, ১১ দলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ছয়টি আসনে এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে জয়লাভ করেছে।
একইভাবে, ইসলামী আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন এবং খেলাফত মজলিস প্রত্যেকে একটি করে আসন লাভ করেছে। অন্যদিকে, সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত চতুর্থ গণভোটে মোট ৭ কোটি ৬ লক্ষ ৪০ হাজার ৫৬ জন ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন, যা ভোটের হার ৬১.২৬ শতাংশ। এদের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লক্ষ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন (৬৮.০৬%) এবং সংস্কার বাস্তবায়নে অসম্মতি জানিয়ে ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন (৩১.৯৪%)।
নির্বাচন কমিশন ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে। তবে, দুটি চট্টগ্রাম আসনের ফলাফল অর্থ ঋণ মামলায় হাইকোর্টের আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া, একজন প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে একটি আসনের নির্বাচন স্থগিত ছিল। স্থগিত থাকা আসনগুলোর ফল ঘোষণা না হলেও, ওই দুটি আসনের গণভোটের ফলাফল সামগ্রিক গণভোটে যুক্ত করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















