কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার একটি কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর পোলিং এজেন্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দুপুর ১টার দিকে ওই কেন্দ্রটি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি বুথেই কেবল ধানের শীষের পোলিং এজেন্টরা দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোনো প্রতিনিধি চোখে পড়েনি। উল্লেখ্য, এই আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের বাড়ি বাগড়া গ্রামেই।
কেন্দ্রে উপস্থিত ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছে অন্য প্রার্থীদের প্রতিনিধির অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তারা জানান, এই কেন্দ্রে অন্য প্রার্থীরা কোনো এজেন্ট নিয়োগ করেননি। তবে কী কারণে তারা এজেন্ট দেননি, সে বিষয়ে তারা কিছু বলতে পারেননি।
এদিকে দুপুর ১টার দিকে কেন্দ্রটি পরিদর্শনে আসেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোবারক হোসেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমি এই কেন্দ্রে এজেন্ট দিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আবার অনেক এজেন্ট ভয়ে কেন্দ্রে আসতেই সাহস পাননি।”
তবে জামায়াত প্রার্থীর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপির প্রার্থী জসীমউদ্দীন। উল্টো অভিযোগ করে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণপাড়ার কয়েকটি কেন্দ্রে জামায়াতের লোকজন জোরপূর্বক ব্যালটে সিল মারার চেষ্টা করেছে। তবে বাগড়া কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে চলছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে বাগড়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার জানান, জামায়াতের প্রার্থীর (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পক্ষ থেকে এজেন্ট নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের কোনো প্রতিনিধি পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করতে কেন্দ্রে উপস্থিত হননি। কেন তারা আসেননি, সে ব্যাপারে নির্বাচনী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।
রিপোর্টারের নাম 
























