চট্টগ্রাম-১০ আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসে একাধিক ভোটার নিজেদের ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে জানতে পেরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রামপুর নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনার শিকার হয়ে জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন অন্তত দুই নারী ভোটার। এ ঘটনায় কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার অসঙ্গতির কথা স্বীকার করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
নগরীর ২৬ নম্বর রামপুরা ওয়ার্ডের ভোটার কানিজ ফাতেমা দুপুর ১টার দিকে রামপুর নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। গৃহস্থালির কাজ সেরে একটু ভিড় কমার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। কিন্তু কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর তিনি জানতে পারেন, তার ভোট আগেই অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছেন। এত বছর পর ভোট দিতে এসে এমন জালিয়াতির শিকার হয়ে কেন্দ্র প্রাঙ্গণেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনেই তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার ভোটটা আপনারা দিয়ে দিলেন? এত বছর পর ভোট দিতে আসলাম। তাও জালিয়াতি… কেন এমন হলো আমার সঙ্গে! আপনারা কই ছিলেন? কে এটা করল?”
কর্তব্যরত ব্যক্তিরা কানিজ ফাতেমাকে জানান, তার ভোট হয়ে গেছে এবং কে দিয়েছে তা তারা জানেন না। এ কথা শুনে তীব্র হতাশা নিয়ে কেন্দ্র ত্যাগ করেন তিনি। কানিজ ফাতেমা দৃঢ়ভাবে বলেন যে, সকাল থেকেই তিনি বাড়িতে ছিলেন এবং কোনো ভোট দেননি।
এ বিষয়ে ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোস্তফা রেজা সাংবাদিকদের বলেন, “আমি স্বীকার করছি যে এটা জাল হয়েছে। কিন্তু কীভাবে হয়েছে জানা নেই। হয়তো সংশ্লিষ্ট পোলিং অফিসারের অবহেলা ছিল। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।” এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, একজন ছাড়া আর কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেননি।
তবে, সকালে আলফা বেগম নামের আরও একজন নারী ভোটার একই অভিযোগ করেন। তিনিও কেন্দ্রে এসে দেখতে পান তার ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছেন বলে তাকে জানানো হয়। এই ঘটনাগুলো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে।
রিপোর্টারের নাম 

























