টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণার জেরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাঙ্গনে এক অভূতপূর্ব সংকট দেখা দিয়েছিল। এই জটিল পরিস্থিতি নিরসনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) আয়োজনে লাহোরে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল অংশ নেন। সোমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ থেকে বিরত থাকার জন্য বিসিবিকে কোনো প্রকার শাস্তি বা জরিমানা প্রদান করা হবে না। বরং, আসন্ন একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক হওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। এই সমঝোতার পর পাকিস্তানও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে সম্মত হয়েছে।
এই কূটনৈতিক সাফল্যকে বাংলাদেশের জন্য এক উজ্জ্বল অর্জন হিসেবে অভিহিত করেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “ক্রিকেট কূটনীতিতে বাংলাদেশ যে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে, তার ফলস্বরূপ আজ আইসিসি আমাদের কোনো প্রকার শাস্তি বা জরিমানা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু তাই নয়, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক হওয়ার সম্মানও আমরা পেতে চলেছি। এটি নিঃসন্দেহে একটি ব্রিলিয়ান্ট অ্যাচিভমেন্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে স্যালুট জানাই। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ যদি দশবার আসে, তবে দশবারই একই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।”
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও স্পষ্ট করেন যে, বিশ্বকাপ খেলতে না পারার জন্য বাংলাদেশের কোনো আক্ষেপ নেই। তিনি বলেন, “কোনো আক্ষেপ? প্রশ্নই আসে না। বাংলাদেশের ক্রিকেট, আমাদের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের এবং ক্রিকেট বোর্ডের। দেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, দেশের মানুষের নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের মর্যাদার প্রশ্নে তারা যে আত্মত্যাগ করেছে, তা একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
রিপোর্টারের নাম 
























