ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

ঘের লুট করা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের ১২ তারিখ জনগণ লাল কার্ড দেখাবে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

অ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে—যারা জনগণের ঘের লুট করছে, সন্ত্রাসী চাঁদাবাজিতে লিপ্ত, মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সমাবেশে আসতে বাধা দিচ্ছে এবং নারীদের হয়রানির চেষ্টা করছে।’

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাগেরহাট-৩ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোংলা হ্যালিপ্যাড ময়দানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ঐতিহাসিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনি জনসভায় বাগেরহাট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শেখ ওয়াদুদ এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমির এম, এ বারী এর সভাপতিত্ব মোংলা হ্যালিপ্যাড ময়দানে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ঐতিহাসিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এ জনসভার আয়োজন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণ এখন আর ট্যাগের রাজনীতি খায় না। ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে রাজনীতি করার দিন শেষ। এ দেশের মানুষ এখন সচেতন ও জাগ্রত।’

জনসভায় তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির কিছু কর্মী জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের সমাবেশে আসতে বাধা দিয়েছে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই—যদি আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারির পরে ক্ষমতায় আসতে না পারেন, তখন কী করবেন? জনগণ আর এসব হুমকিতে ভয় পায় না।’

তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘এই দেশ, এই সমাজ ও এই রাষ্ট্রে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান হতে দেওয়া হবে না।’

জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মো: রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আবু হানিফ মল্লিক, উপজেলা সেক্রেটারি মো. রশিদুজ্জামান শিশির, মোংলা উপজেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক সফল ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট অধ্যাপক কোহিনূর সরদার, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী এ্যাড: মো: হোসেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির যুগ্ম মূখ্য সংগঠক মোল্যা রহমতুল্লাহ, এনসিপি নেতা মাজেদ মৃধা ও আবু হোসেনসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিত ও বিএনপির অর্ধ শতাধিক নেতা কর্মীর যোগদানের মধ্য দিয়ে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অফিস সময়ে বাইরে রোগী দেখলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঘের লুট করা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের ১২ তারিখ জনগণ লাল কার্ড দেখাবে

আপডেট সময় : ১১:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে—যারা জনগণের ঘের লুট করছে, সন্ত্রাসী চাঁদাবাজিতে লিপ্ত, মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সমাবেশে আসতে বাধা দিচ্ছে এবং নারীদের হয়রানির চেষ্টা করছে।’

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাগেরহাট-৩ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোংলা হ্যালিপ্যাড ময়দানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ঐতিহাসিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনি জনসভায় বাগেরহাট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শেখ ওয়াদুদ এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমির এম, এ বারী এর সভাপতিত্ব মোংলা হ্যালিপ্যাড ময়দানে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ঐতিহাসিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এ জনসভার আয়োজন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণ এখন আর ট্যাগের রাজনীতি খায় না। ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে রাজনীতি করার দিন শেষ। এ দেশের মানুষ এখন সচেতন ও জাগ্রত।’

জনসভায় তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির কিছু কর্মী জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের সমাবেশে আসতে বাধা দিয়েছে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই—যদি আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারির পরে ক্ষমতায় আসতে না পারেন, তখন কী করবেন? জনগণ আর এসব হুমকিতে ভয় পায় না।’

তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘এই দেশ, এই সমাজ ও এই রাষ্ট্রে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান হতে দেওয়া হবে না।’

জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মো: রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আবু হানিফ মল্লিক, উপজেলা সেক্রেটারি মো. রশিদুজ্জামান শিশির, মোংলা উপজেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক সফল ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট অধ্যাপক কোহিনূর সরদার, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী এ্যাড: মো: হোসেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির যুগ্ম মূখ্য সংগঠক মোল্যা রহমতুল্লাহ, এনসিপি নেতা মাজেদ মৃধা ও আবু হোসেনসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিত ও বিএনপির অর্ধ শতাধিক নেতা কর্মীর যোগদানের মধ্য দিয়ে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।