ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

জামায়াত আমিরের জাতীয় ভাষণ: তরুণ, নারী ও তাবলীগ জামাতের প্রতি বিশেষ বার্তা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত ১৮ মিনিটের এই ভাষণে তিনি জেনজি ও তরুণ প্রজন্ম, নারী সমাজ এবং আলেম-ওলামাদের পাশাপাশি বিশেষ করে তাবলীগ জামাতের অনুসারীদের উদ্দেশে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। ডা. শফিকুর রহমান তার দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার মাধ্যমে একটি প্রত্যাশিত ও নিরাপদ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন।

সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় প্রচারিত এই ভাষণে জামায়াত আমির বলেন, “আমাদেরকে বিজয়ী করলে ইনশাআল্লাহ প্রত্যাশার একটি দেশ আমরা খুঁজে পাবো, নতুন বাংলাদেশ পাবো।” তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, জনগণ পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তন তাদের হাত ধরেই আসবে।

দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তরুণদের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “এই দেশ আমাদের সময়ের সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুণরাই রচনা করবে।” তরুণদের পরিশ্রমী, সাহসী, মেধাবী, পরিবর্তনপ্রিয়, নতুনকে আলিঙ্গনকারী এবং সত্যবাদী উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই তরুণরা প্রযুক্তি বোঝে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে জানে। তারাই পারবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে দিতে।”

দেশের আলেম-ওলামাদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, “একাধিক ধর্মের এ দেশে মুসলমানগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাই মুসলমান হিসাবে এটি আমাদের দায়িত্ব যে সমাজে ন্যায় বিচার, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। এগুলো ইসলামের শাশ্বত আদর্শ। সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।”

ভাষণের একপর্যায়ে তাবলীগ জামাতের অনুসারীদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আপনারা দ্বীনের জন্য যে মেহনত করছেন, দেশ গড়ার কাজেও আপনারা আমাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি।” তিনি অঙ্গীকার করেন যে, ভবিষ্যতে কেউ তাদের অন্যায়ভাবে বিভিন্ন বিশেষণে ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন করার সুযোগ পাবে না এবং বিচার বহির্ভূতভাবে তাদের হত্যা করা যাবে না। এছাড়াও, জাতীয় নীতি-পদ্ধতিতে তাদের আনুষ্ঠানিক অবদান ও ভূমিকাকে জোরদার করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শরিফুলের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন: তপ্ত গরমে কিউইদের নাভিশ্বাস

জামায়াত আমিরের জাতীয় ভাষণ: তরুণ, নারী ও তাবলীগ জামাতের প্রতি বিশেষ বার্তা

আপডেট সময় : ০৯:০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত ১৮ মিনিটের এই ভাষণে তিনি জেনজি ও তরুণ প্রজন্ম, নারী সমাজ এবং আলেম-ওলামাদের পাশাপাশি বিশেষ করে তাবলীগ জামাতের অনুসারীদের উদ্দেশে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। ডা. শফিকুর রহমান তার দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার মাধ্যমে একটি প্রত্যাশিত ও নিরাপদ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন।

সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় প্রচারিত এই ভাষণে জামায়াত আমির বলেন, “আমাদেরকে বিজয়ী করলে ইনশাআল্লাহ প্রত্যাশার একটি দেশ আমরা খুঁজে পাবো, নতুন বাংলাদেশ পাবো।” তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, জনগণ পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তন তাদের হাত ধরেই আসবে।

দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তরুণদের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “এই দেশ আমাদের সময়ের সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুণরাই রচনা করবে।” তরুণদের পরিশ্রমী, সাহসী, মেধাবী, পরিবর্তনপ্রিয়, নতুনকে আলিঙ্গনকারী এবং সত্যবাদী উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই তরুণরা প্রযুক্তি বোঝে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে জানে। তারাই পারবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে দিতে।”

দেশের আলেম-ওলামাদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, “একাধিক ধর্মের এ দেশে মুসলমানগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাই মুসলমান হিসাবে এটি আমাদের দায়িত্ব যে সমাজে ন্যায় বিচার, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। এগুলো ইসলামের শাশ্বত আদর্শ। সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।”

ভাষণের একপর্যায়ে তাবলীগ জামাতের অনুসারীদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আপনারা দ্বীনের জন্য যে মেহনত করছেন, দেশ গড়ার কাজেও আপনারা আমাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি।” তিনি অঙ্গীকার করেন যে, ভবিষ্যতে কেউ তাদের অন্যায়ভাবে বিভিন্ন বিশেষণে ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন করার সুযোগ পাবে না এবং বিচার বহির্ভূতভাবে তাদের হত্যা করা যাবে না। এছাড়াও, জাতীয় নীতি-পদ্ধতিতে তাদের আনুষ্ঠানিক অবদান ও ভূমিকাকে জোরদার করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।