ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

‘সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের খুঁজে বের করতে হবে’: রাশেদ প্রধান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জুলাই বিপ্লবের লড়াকু সৈনিক শহীদ ওসমান বিন হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে পুলিশী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। তিনি অভিযোগ করেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে এখনো ভারতীয় এজেন্ট এবং ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে, যাদের দ্রুত চিহ্নিত করে অপসারণ করা জরুরি।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জাগপা নেতা এই দাবি জানান। রাজধানীর যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অ্যাকশনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, শহীদ ওসমানের মা যখন তার সন্তান হত্যার বিচার চাইতে রাজপথে এসেছেন, তখন তার ওপর পুলিশের চড়াও হওয়া অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। এই হামলায় আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর এজিএস আম্বার, জুলাই যোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, ইনকিলাব মঞ্চের ঝুমা ও শান্তাসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, ইনকিলাব মঞ্চের ওপর হামলার পর নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের উল্লাস এবং উসকানিমূলক তৎপরতা প্রমাণ করে যে, এই হামলার নীল নকশা দেশের বাইরে থেকে তৈরি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দিল্লি থেকে গুলশান হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এই হামলার নির্দেশ এসেছে। এমনকি শাহবাগে প্রতিবাদ সমাবেশের সময়ও ছদ্মবেশে একযোগে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গভীর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে জাগপা মুখপাত্র বলেন, বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে নসাৎ করতে ১১ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে দিল্লিতে একাধিক বৈঠক হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কাদের নির্দেশে নারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর এমন বর্বরোচিত হামলা চালানো হচ্ছে এবং কারা নির্বাচনকে বানচাল করার পাঁয়তারা করছে, তা দেশবাসী জানতে চায়।

বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এদেশের ছাত্র-জনতা এবং ১১ দলীয় জোট যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী ৫ বছর দেশকে নিরাপদ রাখতে এবং যেকোনো নাশকতা রুখে দিতে তারা রাজপথে পাহারায় থাকবে বলে তিনি জানান। একইসঙ্গে তিনি অবিলম্বে শহীদ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

‘সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের খুঁজে বের করতে হবে’: রাশেদ প্রধান

আপডেট সময় : ০২:২১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের লড়াকু সৈনিক শহীদ ওসমান বিন হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে পুলিশী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। তিনি অভিযোগ করেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে এখনো ভারতীয় এজেন্ট এবং ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে, যাদের দ্রুত চিহ্নিত করে অপসারণ করা জরুরি।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জাগপা নেতা এই দাবি জানান। রাজধানীর যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অ্যাকশনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, শহীদ ওসমানের মা যখন তার সন্তান হত্যার বিচার চাইতে রাজপথে এসেছেন, তখন তার ওপর পুলিশের চড়াও হওয়া অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। এই হামলায় আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর এজিএস আম্বার, জুলাই যোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, ইনকিলাব মঞ্চের ঝুমা ও শান্তাসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, ইনকিলাব মঞ্চের ওপর হামলার পর নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের উল্লাস এবং উসকানিমূলক তৎপরতা প্রমাণ করে যে, এই হামলার নীল নকশা দেশের বাইরে থেকে তৈরি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দিল্লি থেকে গুলশান হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এই হামলার নির্দেশ এসেছে। এমনকি শাহবাগে প্রতিবাদ সমাবেশের সময়ও ছদ্মবেশে একযোগে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গভীর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে জাগপা মুখপাত্র বলেন, বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে নসাৎ করতে ১১ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে দিল্লিতে একাধিক বৈঠক হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কাদের নির্দেশে নারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর এমন বর্বরোচিত হামলা চালানো হচ্ছে এবং কারা নির্বাচনকে বানচাল করার পাঁয়তারা করছে, তা দেশবাসী জানতে চায়।

বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এদেশের ছাত্র-জনতা এবং ১১ দলীয় জোট যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী ৫ বছর দেশকে নিরাপদ রাখতে এবং যেকোনো নাশকতা রুখে দিতে তারা রাজপথে পাহারায় থাকবে বলে তিনি জানান। একইসঙ্গে তিনি অবিলম্বে শহীদ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।