ঠাকুরগাঁওকে একটি আধুনিক ও শিল্পোন্নত অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তারেক রহমান বলেন, দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও পঞ্চগড় জেলাকে শিল্পায়নের মাধ্যমে রূপান্তরিত করা হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিগত দিনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, যা আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করা হবে। গত ১৬ বছর ধরে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা কেবল নিজেদের স্বার্থই দেখেছে। বিএনপির লক্ষ্য জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা। পঞ্চগড়ে চিনিকল, চা ও রেশন শিল্প চালু করার মাধ্যমে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলে কৃষকদের পাশে থাকার পাশাপাশি কৃষিপণ্যের ওপর ভিত্তি করে শিল্প স্থাপন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর জোর দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বহু যুবক বেকারত্বের শিকার, তাদের প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শ্রমিক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। জনগণের অংশগ্রহণে দেশ পুনর্গঠনের এই কাজে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
নির্বাচনী জনসভায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা না করে, জনগণের জন্য কী করা হবে তা তুলে ধরার গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মতো বিএনপি নেতাকর্মীরাও বিশ্বাস করে বাংলাদেশই তাদের একমাত্র ঠিকানা। তাই জনগণের শক্তিতে দেশ পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখছেন তারা।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘২৪ সালে আমরা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করেছি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো, আগামী দিনেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলেমিশে থাকবে। এই দেশে হাজার বছর ধরে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে এবং ভবিষ্যতেও তাই হবে। ধর্ম দিয়ে নয়, মানুষ হিসেবে সকলের বিচার হবে।’
রিপোর্টারের নাম 























