লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে ভোটের সিল প্রস্তুতকালে মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সোহেল রানাসহ দুইজনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ছয়টি অবৈধ ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে।
বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার সোহেল রানা সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। মঙ্গলবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে সিলগুলো জব্দ করে এবং তাকে আটক করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, আটক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তার কাছ থেকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হবে। তদন্তের স্বার্থে অপর আসামির নাম পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এদিকে, এই সিল জব্দের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে বিএনপি ও জামায়াত পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে। লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি অভিযোগ করেন, আটক সোহেল রানা জামায়াতের কর্মী এবং এই সিল কাণ্ডের সঙ্গে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
অন্যদিকে, একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম পাল্টা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আটক সোহেল রানা জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের সময় সোহেল রানা জানান যে তিনি অর্ডার পেয়ে সিলগুলো তৈরি করছিলেন। নির্ধারিত দিনে সিলগুলো নেওয়ার কথা থাকলেও অর্ডারদাতা তা গ্রহণ করেননি। তিনি আরও দাবি করেন যে অর্ডারদাতার সঙ্গে তার হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হয়েছে এবং ভয়েস মেসেজও পাঠানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























