চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে চলমান সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্রের অবাধ ব্যবহার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি হুমকির তীব্র সমালোচনা করে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি অ্যাম্বাসেডর ও প্রধান এজেন্ট ওয়ালিদ ইসলাম। বুধবার বিকেলে গাছুয়া ইউনিয়নের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে গাছুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়ালিদ ইসলাম প্রশাসনের প্রতি সরাসরি প্রশ্ন রেখে বলেন, প্রশাসন সাধারণ মানুষের কাছে অস্ত্রের তথ্য চেয়ে দায় এড়াচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “অস্ত্রের সন্ধান করা যদি নাগরিকদেরই কাজ হয়, তবে দেশের এতগুলো গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা কোথায়?” তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত এক বছরে সন্দ্বীপে ১১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে এবং শতাধিক চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, যার নেপথ্যের হোতাদের খুঁজে বের করার দায়িত্ব প্রশাসনের। কিন্তু প্রশাসন এ বিষয়ে কেন খোঁজ নিচ্ছে না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়ালিদ ইসলাম অভিযোগ করেন যে, তরুণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করতে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে (১২ তারিখের পর) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সন্দ্বীপ ছাড়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। তিনি প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান, ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের প্রাথমিক দায়িত্ব। একটি উৎসবমুখর নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
তার বক্তব্যে গত মঙ্গলবার রাতে সন্তোষপুর ইউনিয়ন ছাত্রশিবির সভাপতি ইকরামুল হায়দার নাবিল ও তার সঙ্গীদের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনা উল্লেখ করে ওয়ালিদ ইসলাম বলেন, শবে বরাতের মতো পবিত্র রাতেও যারা রক্তক্ষয়ী হামলা চালায়, তারা সন্দ্বীপের শান্তি বিনষ্টকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের এক প্রভাবশালী কর্মকর্তার কারণে এই হামলার ঘটনায় মামলা নিতে গড়িমসি করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
রিপোর্টারের নাম 






















