নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ৩ দিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের
মেটা বর্ণনা: নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে তিন দিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে জানানো হয়, ৩ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল দপ্তরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। দাবি পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কর্মচারীরা।
এসইও ট্যাগ: নবম পে-স্কেল, সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ, বেতন কমিশন প্রতিবেদন ২০২৬, বিক্ষোভ কর্মসূচি, সচিবালয় সংবাদ, অর্থ মন্ত্রণালয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আন্দোলন, পে-স্কেল বাস্তবায়ন।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অবিলম্বে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে তিন দিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। সংগঠনটির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে সারা দেশে আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা করা হবে।
সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত সারা দেশের সকল সরকারি দপ্তরে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বর্তমানে চলমান গণকর্মবিরতি প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। দাবি আদায়ে রাজপথের আন্দোলনের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজ বর্জনের মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখতে চান কর্মচারীরা।
সমাবেশে সংশ্লিষ্ট নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, গত সাত বছর ধরে নবম পে-স্কেলের দাবি জানানো হলেও সরকার তা আমলে নিচ্ছে না। গত ৫ ডিসেম্বর রাজধানীতে লক্ষাধিক কর্মচারীর উপস্থিতিতে মহাসমাবেশ আয়োজনের পর আশা করা হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হবে। কিন্তু প্রায় দেড় মাস পার হয়ে গেলেও এ বিষয়ে কোনো কার্যকর সুরাহা হয়নি। তাঁরা অভিযোগ করেন, গত ২১ জানুয়ারি কমিশন প্রতিবেদন জমা দিলেও অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে নতুন কমিটি গঠনের নামে কালক্ষেপণ করছেন।
আন্দোলনকারীরা আরও জানান, সম্প্রতি জ্বালানি উপদেষ্টার এক মন্তব্যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বালানি উপদেষ্টা মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন স্তিমিত রাখতে কমিশন গঠন করা হয়েছিল’। এই বক্তব্যকে কর্মচারীদের স্বার্থের পরিপন্থী ও অবমাননাকর হিসেবে দেখছেন আন্দোলনকারীরা। মূলত বেতন বৈষম্য দূরীকরণ এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বেতন বৃদ্ধির দাবিতেই তাঁরা এখন অনড়।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তিন দিনের এই আলটিমেটামের মধ্যে সরকার কোনো সদর্থক পদক্ষেপ না নিলে সচিবালয়সহ দেশের সকল প্রশাসনিক স্তরে অচলাবস্থা তৈরির মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 























