বাংলাদেশ ব্যাংক আজ মঙ্গলবার থেকে নতুন নকশার ১০ টাকার নোট বাজারে ছাড়ছে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে এই নোট বিতরণ করা হবে এবং পরবর্তীতে এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য শাখা থেকেও পাওয়া যাবে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত এই নতুন ১০ টাকার নোটের আকার হবে ১২৩ মিমি × ৬০ মিমি। নোটটিতে জলছাপ হিসেবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখচ্ছবি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর প্রধান রঙ হিসেবে গোলাপি আভা দেখা যাবে।
নোটের সম্মুখভাগের বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের একটি চিত্র মুদ্রিত রয়েছে। মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় ফুল শাপলার নকশা, যা পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত অবস্থায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নোটের পেছনের দিকে ‘গ্রাফিতি–২০২৪’ এর একটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে।
নতুন এই নোটে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হিসেবেও কিছু নতুনত্ব আনা হয়েছে। সম্মুখভাগের বাম পাশে ২ মিলিমিটার চওড়া একটি নিরাপত্তা সুতা সংযোজন করা হয়েছে, যেখানে ‘১০ টাকা’ লেখাটি দেখা যাবে। আলোর বিপরীতে ধরলে এই লেখাটি স্পষ্ট হবে। নোটটি নাড়াচাড়া করলে নিরাপত্তা সুতার রঙ লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হবে। এছাড়াও, গভর্নর স্বাক্ষরের ডান পাশে একটি ‘See-through image’ হিসেবে একটি নকশা রয়েছে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে ‘১০’ সংখ্যাটি দৃশ্যমান হবে।
নোটের সম্মুখভাগের উপরে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ লেখার নিচে এবং পেছনের বাম দিকের অংশে ‘Microprint’ হিসেবে ‘BANGLADESH BANK’ মুদ্রিত করা হয়েছে।
নতুন ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের এই ১০ টাকার নোট বাজারে চালু হলেও, বর্তমানে প্রচলিত সকল কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রা আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে। মুদ্রা সংগ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে, নিয়মিত নোটের পাশাপাশি ১০ টাকা মূল্যমানের একটি নমুনা নোটও (যা বিনিময়ের যোগ্য নয়) মুদ্রণ করা হয়েছে। এটি টাকা জাদুঘর থেকে নির্দিষ্ট মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।
রিপোর্টারের নাম 





















