ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ধারাবাহিক সাঁড়াশি অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ এর দ্বিতীয় পর্যায় গতকাল রোববার দিনভর রাজধানীজুড়ে পরিচালিত হয়েছে। এই বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গুলি এবং দেশীয় সরঞ্জামসহ মোট ২১ জন চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। ডিএমপির ১১টি থানার সমন্বিত উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযান চলাকালীন সময়ে মুগদা ও পল্লবী থানা এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অপরাধীকে ধরা হয়েছে। মুগদা থানা পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, কার্তুজ এবং রামদা, চাপাতি ও কুড়ালের মতো একাধিক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। অন্যদিকে, পল্লবী থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের কাছ থেকেও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কুখ্যাত ছিনতাইকারী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ীরাও রয়েছে।
‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ এর এই দ্বিতীয় পর্বে খিলক্ষেত ও উত্তরখান থানা থেকে তিনজন করে এবং যাত্রাবাড়ী থানা থেকে দুজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও মোহাম্মদপুর, রামপুরা, শিল্পাঞ্চল, শাহবাগ, ওয়ারী এবং হাতিরঝিল থানা থেকে একজন করে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সঞ্জয় জজ হালদার, নাজমুল হাসান রাসেল, মরিয়ম জেসমিন ওরফে মায়াবতি এবং ডালিয়া আমিন-এর মতো পরিচিত অপরাধীরাও রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই অপরাধী চক্রটি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনজীবনে ভীতি সৃষ্টি করে আসছিল।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আরও জানান, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের মূল উৎপাটন করতেই এই ‘ডেভিল হান্ট’ মিশন গ্রহণ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সকল অপরাধীকে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















