ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষায় নোবিপ্রবিতে ছাত্রশিবিরের ব্যাপক প্রচারণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনে সরব হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এরই অংশ হিসেবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই প্রচারণা চালানো হয়। সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বর, প্রশাসনিক ভবন, প্রশান্তি পার্ক, শান্তিনিকেতন, পকেট গেট ও গ্যারেজসহ প্রধান সড়কগুলোতে ব্যানার প্রদর্শন, ফটোবুথ স্থাপন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রচারণা চলাকালে সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আমূল সংস্কার প্রয়োজন। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার যে আত্মত্যাগ, তার প্রকৃত সম্মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা সম্ভব হবে। তারা আরও উল্লেখ করেন, এই সংস্কার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে তরুণ প্রজন্ম ও ছাত্রসমাজকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক অবস্থানের মাধ্যমে নিজেদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলরা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচন ও গণভোট কেবল রাজনৈতিক পালাবদলের বিষয় নয়, বরং এটি শহীদদের রক্তস্নাত বিপ্লবের চেতনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। ফটোফ্রেম প্রদর্শন ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং গণভোটের তাৎপর্য পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা যে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবি জানিয়েছিল, তা বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে এই গণভোটের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এই ক্যাম্পেইনে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে দেশের জনগণ একটি নতুন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার পক্ষে রায় দেবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদ: সুনামগঞ্জে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ৩

রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষায় নোবিপ্রবিতে ছাত্রশিবিরের ব্যাপক প্রচারণা

আপডেট সময় : ১১:২৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনে সরব হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এরই অংশ হিসেবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই প্রচারণা চালানো হয়। সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বর, প্রশাসনিক ভবন, প্রশান্তি পার্ক, শান্তিনিকেতন, পকেট গেট ও গ্যারেজসহ প্রধান সড়কগুলোতে ব্যানার প্রদর্শন, ফটোবুথ স্থাপন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রচারণা চলাকালে সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আমূল সংস্কার প্রয়োজন। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার যে আত্মত্যাগ, তার প্রকৃত সম্মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা সম্ভব হবে। তারা আরও উল্লেখ করেন, এই সংস্কার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে তরুণ প্রজন্ম ও ছাত্রসমাজকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক অবস্থানের মাধ্যমে নিজেদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলরা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচন ও গণভোট কেবল রাজনৈতিক পালাবদলের বিষয় নয়, বরং এটি শহীদদের রক্তস্নাত বিপ্লবের চেতনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। ফটোফ্রেম প্রদর্শন ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং গণভোটের তাৎপর্য পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা যে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবি জানিয়েছিল, তা বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে এই গণভোটের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এই ক্যাম্পেইনে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে দেশের জনগণ একটি নতুন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার পক্ষে রায় দেবে।