ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

নগদের নতুন রেকর্ড: জানুয়ারিতে লেনদেন ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) নগদ নতুন বছরের শুরুতেই এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। সদ্য সমাপ্ত জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করে তাদের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড গড়েছে। এই অর্জন ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবার দ্রুত বর্ধনশীলতার প্রমাণ।

যাত্রা শুরুর মাত্র সাত বছরের মধ্যেই নগদ বাংলাদেশের মোবাইল আর্থিক সেবার বাজারে নিজেদের একটি সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। এই সময়ে গ্রাহকসংখ্যা এবং লেনদেনের পরিমাণ উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রেকর্ড গড়া এই বিশাল লেনদেনের সিংহভাগ এসেছে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো থেকে।

লেনদেনে এই নতুন মাইলফলক অর্জন করায় নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নগদ সবসময় গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে কাজ করে আসছে এবং গ্রাহকবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার ফলস্বরূপ দিনদিন নগদের লেনদেন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মো. মোতাছিম বিল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ বর্তমানে আরও উন্নত সেবা এবং গ্রাহকের অর্থের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত নতুন গ্রাহক নগদের সাথে যুক্ত হচ্ছেন এবং বিদ্যমান গ্রাহকরাও আগের চেয়ে বেশি লেনদেন করছেন। এছাড়া সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম নগদের লেনদেন সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

নগদের পূর্ববর্তী লেনদেনের রেকর্ড বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৩৪ হাজার ৭০৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন করে মাসিক লেনদেনের সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছিল। তারও আগে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে নগদ ৩৪ হাজার কোটি টাকার লেনদেন ছাড়িয়েছিল এবং একই বছরের জুন মাসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা।

বার্ষিক লেনদেনের হিসাবে, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে এই লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্থির তেলের বাজার, দাম বেড়ে এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

নগদের নতুন রেকর্ড: জানুয়ারিতে লেনদেন ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) নগদ নতুন বছরের শুরুতেই এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। সদ্য সমাপ্ত জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করে তাদের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড গড়েছে। এই অর্জন ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবার দ্রুত বর্ধনশীলতার প্রমাণ।

যাত্রা শুরুর মাত্র সাত বছরের মধ্যেই নগদ বাংলাদেশের মোবাইল আর্থিক সেবার বাজারে নিজেদের একটি সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। এই সময়ে গ্রাহকসংখ্যা এবং লেনদেনের পরিমাণ উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রেকর্ড গড়া এই বিশাল লেনদেনের সিংহভাগ এসেছে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো থেকে।

লেনদেনে এই নতুন মাইলফলক অর্জন করায় নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নগদ সবসময় গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে কাজ করে আসছে এবং গ্রাহকবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার ফলস্বরূপ দিনদিন নগদের লেনদেন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মো. মোতাছিম বিল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ বর্তমানে আরও উন্নত সেবা এবং গ্রাহকের অর্থের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত নতুন গ্রাহক নগদের সাথে যুক্ত হচ্ছেন এবং বিদ্যমান গ্রাহকরাও আগের চেয়ে বেশি লেনদেন করছেন। এছাড়া সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম নগদের লেনদেন সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

নগদের পূর্ববর্তী লেনদেনের রেকর্ড বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৩৪ হাজার ৭০৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন করে মাসিক লেনদেনের সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছিল। তারও আগে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে নগদ ৩৪ হাজার কোটি টাকার লেনদেন ছাড়িয়েছিল এবং একই বছরের জুন মাসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা।

বার্ষিক লেনদেনের হিসাবে, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে এই লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।