জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনার সময়সীমা গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) শেষ হয়েছে। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত ১৯ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সকল লাইসেন্সধারী ব্যক্তিকে তাদের আগ্নেয়াস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার কথা ছিল।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের জন্য অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় বিধান মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এই নির্দেশনার কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, যারা নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং যাদের মনোনয়ন গৃহীত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এবং তাদের সশস্ত্র রিটেইনারের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। এই ব্যতিক্রম ‘আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, সরকার ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান এবং রিটেইনার (আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারী ব্যক্তি) নিয়োগের নীতি নির্দেশিকা জারি করেছিল।
রিপোর্টারের নাম 






















