ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

“গণভোট নির্বাচনের আগে হোক বা পরে—রাজনৈতিকভাবে এতে খুব একটা তফাৎ নেই।”

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি মন্তব্য করেছেন যে, গণভোট নির্বাচনের আগেই হোক বা নির্বাচনের দিনই হোক—এতে রাজনৈতিকভাবে খুব একটা বড় কোনো তফাৎ (তাৎপর্যগত পার্থক্য) নেই।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে একটা আলোচনা সভা চলছিল। ‘রাজনীতির বর্তমান এবং ভবিষ্যত পথরেখা’ নামের এই সভাটি আয়োজন করেছিল নাগরিক ঐক্য। সেখানেই জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “আমি আশা করি, সরকার কোনো একটা নির্দিষ্ট দলের দিকে ঝুঁকে পড়বে না। যেমন, কালকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেছেন যে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যদি পিছিয়েও যায়, তাতেও নাকি অসুবিধা নেই; কিন্তু তাদের দাবি হলো গণভোটটা আগেই হতে হবে। কিন্তু আমি বলতে চাই, গণভোট আগে হওয়া আর জাতীয় নির্বাচনের দিন, মানে একইদিনে হওয়ার মধ্যে রাজনৈতিকভাবে তেমন কোনো তফাৎ নেই। আমরা এই গণভোটের মাধ্যমে যা কিছু পেতে (অর্জন করতে) চাচ্ছি, সেটা নির্বাচনের আগে হলেও যা পাবো, নির্বাচনের দিনে হলেও ঠিক একই জিনিসই পাবো।”

সাকি আরও বলেন, “শুধু আমার রাজনৈতিক প্রস্তাবটাই মানতে হবে, বা আমরা যা বললাম ঠিক তা-ই হতে হবে—এই ধরনের একটা জেদ (অবস্থান) থেকে গণভোট নিয়ে যে প্যাঁচ (জটিলতা) তৈরি করা হচ্ছে, এটা মোটেও ঠিক না। যারা এটা করছেন, তাদের দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, তাদের আসল উদ্দেশ্য হয়তো নির্বাচনটাকে পেছানো। অথবা, এখনকার এই পরিস্থিতির মধ্যে যে জটিলতা আছে, সেটাকে আরও বাড়িয়ে তোলা (গভীর করা)। অথবা, তারা আসলে দর কষাকষি (বার্গেনিং) করতে চাচ্ছে।”

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করার যে দায়িত্ব আমাদের কাঁধে এসেছে, দেশকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেওয়ার (গণতান্ত্রিক উত্তরণ) যে দায়িত্ব এসেছে—তা নিয়ে যেন আমরা কোনো ধরনের দর কষাকষি (বার্গেন) না করি। এই সনদের দোহাই দিয়ে বার্গেনিং করে আমরা যেন ক্ষমতার ভাগাভাগি (অংশীদারত্ব) না চাই। এটা আমাদের ওপর একটা রক্তের ঋণ। এটাকে আমরা যেন নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের (লক্ষ্য অর্জন) হাতিয়ার না বানাই। এটা করলে তা আমাদের কারও জন্যই ভালো হবে না।”

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আলবানিজের পরিবারের মামলা: ফিলিস্তিন ইস্যুতে আইনি লড়াই

“গণভোট নির্বাচনের আগে হোক বা পরে—রাজনৈতিকভাবে এতে খুব একটা তফাৎ নেই।”

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি মন্তব্য করেছেন যে, গণভোট নির্বাচনের আগেই হোক বা নির্বাচনের দিনই হোক—এতে রাজনৈতিকভাবে খুব একটা বড় কোনো তফাৎ (তাৎপর্যগত পার্থক্য) নেই।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে একটা আলোচনা সভা চলছিল। ‘রাজনীতির বর্তমান এবং ভবিষ্যত পথরেখা’ নামের এই সভাটি আয়োজন করেছিল নাগরিক ঐক্য। সেখানেই জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “আমি আশা করি, সরকার কোনো একটা নির্দিষ্ট দলের দিকে ঝুঁকে পড়বে না। যেমন, কালকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেছেন যে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যদি পিছিয়েও যায়, তাতেও নাকি অসুবিধা নেই; কিন্তু তাদের দাবি হলো গণভোটটা আগেই হতে হবে। কিন্তু আমি বলতে চাই, গণভোট আগে হওয়া আর জাতীয় নির্বাচনের দিন, মানে একইদিনে হওয়ার মধ্যে রাজনৈতিকভাবে তেমন কোনো তফাৎ নেই। আমরা এই গণভোটের মাধ্যমে যা কিছু পেতে (অর্জন করতে) চাচ্ছি, সেটা নির্বাচনের আগে হলেও যা পাবো, নির্বাচনের দিনে হলেও ঠিক একই জিনিসই পাবো।”

সাকি আরও বলেন, “শুধু আমার রাজনৈতিক প্রস্তাবটাই মানতে হবে, বা আমরা যা বললাম ঠিক তা-ই হতে হবে—এই ধরনের একটা জেদ (অবস্থান) থেকে গণভোট নিয়ে যে প্যাঁচ (জটিলতা) তৈরি করা হচ্ছে, এটা মোটেও ঠিক না। যারা এটা করছেন, তাদের দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, তাদের আসল উদ্দেশ্য হয়তো নির্বাচনটাকে পেছানো। অথবা, এখনকার এই পরিস্থিতির মধ্যে যে জটিলতা আছে, সেটাকে আরও বাড়িয়ে তোলা (গভীর করা)। অথবা, তারা আসলে দর কষাকষি (বার্গেনিং) করতে চাচ্ছে।”

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করার যে দায়িত্ব আমাদের কাঁধে এসেছে, দেশকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেওয়ার (গণতান্ত্রিক উত্তরণ) যে দায়িত্ব এসেছে—তা নিয়ে যেন আমরা কোনো ধরনের দর কষাকষি (বার্গেন) না করি। এই সনদের দোহাই দিয়ে বার্গেনিং করে আমরা যেন ক্ষমতার ভাগাভাগি (অংশীদারত্ব) না চাই। এটা আমাদের ওপর একটা রক্তের ঋণ। এটাকে আমরা যেন নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের (লক্ষ্য অর্জন) হাতিয়ার না বানাই। এটা করলে তা আমাদের কারও জন্যই ভালো হবে না।”