ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজার-২ আসনে চা-শ্রমিক ও খাসিয়াদের ভোটেই ঘুরতে পারে নির্বাচনের পা��া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেলেও, নির্বাচনী সমীকরণে চা-শ্রমিক এবং খাসিয়া সম্প্রদায়ের ভোট একটি বড় নির্ধারক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শওকতুল ইসলাম শকু এবং জামায়াতে ইসলামীর ইঞ্জিনিয়ার এম সায়েদ আলী। তবে, সাবেক সংসদ সদস্য নওয়াব আলী আব্বাছ খান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা ফজলুল হক খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তারাও ভোটারদের মন জয় করতে নিরলসভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

বৃহত্তর কুলাউড়া উপজেলা জুড়ে এখন নির্বাচনী আমেজ। ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার অলিগলিতে চলছে প্রার্থীদের পদচারণা। হাট-বাজারগুলোতে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত হচ্ছে মিছিল ও গণসংযোগ। ভোটারদের কাছে টানতে প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।

কুলাউড়া আসনটি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মিলনমেলা। এখানকার ভোটারদের মধ্যে রয়েছেন ২৪টি চা-বাগানের হাজার হাজার শ্রমিক, ৩০টি খাসিয়া পুঞ্জির খাসিয়া ও গারো সম্প্রদায়ের মানুষ এবং এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকির জেলেরা। এই সম্প্রদায়গুলোর সম্মিলিত ভোটই এই আসনের নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মোট তিন লক্ষ তিন হাজার ২০ জন ভোটারের এই আসনে, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন পাঁচ হাজার ৫৮৮ জন। ভোটার তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রায় ২৯ হাজার ভোটারই চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের। তাদের ভোট কোন প্রার্থীর দিকে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খাসিয়া এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোটারদেরও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে, যাদের সমর্থনও প্রার্থীদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। এই সকল সম্প্রদায়ের ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে প্রার্থীরা বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে বিএসসির সাত জাহাজের মধ্যে একটি আটকে আছে দুবাইয়ে, বাকিরা নিরাপদ

মৌলভীবাজার-২ আসনে চা-শ্রমিক ও খাসিয়াদের ভোটেই ঘুরতে পারে নির্বাচনের পা��া

আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেলেও, নির্বাচনী সমীকরণে চা-শ্রমিক এবং খাসিয়া সম্প্রদায়ের ভোট একটি বড় নির্ধারক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শওকতুল ইসলাম শকু এবং জামায়াতে ইসলামীর ইঞ্জিনিয়ার এম সায়েদ আলী। তবে, সাবেক সংসদ সদস্য নওয়াব আলী আব্বাছ খান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা ফজলুল হক খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তারাও ভোটারদের মন জয় করতে নিরলসভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

বৃহত্তর কুলাউড়া উপজেলা জুড়ে এখন নির্বাচনী আমেজ। ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার অলিগলিতে চলছে প্রার্থীদের পদচারণা। হাট-বাজারগুলোতে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত হচ্ছে মিছিল ও গণসংযোগ। ভোটারদের কাছে টানতে প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।

কুলাউড়া আসনটি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মিলনমেলা। এখানকার ভোটারদের মধ্যে রয়েছেন ২৪টি চা-বাগানের হাজার হাজার শ্রমিক, ৩০টি খাসিয়া পুঞ্জির খাসিয়া ও গারো সম্প্রদায়ের মানুষ এবং এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকির জেলেরা। এই সম্প্রদায়গুলোর সম্মিলিত ভোটই এই আসনের নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মোট তিন লক্ষ তিন হাজার ২০ জন ভোটারের এই আসনে, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন পাঁচ হাজার ৫৮৮ জন। ভোটার তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রায় ২৯ হাজার ভোটারই চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের। তাদের ভোট কোন প্রার্থীর দিকে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খাসিয়া এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোটারদেরও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে, যাদের সমর্থনও প্রার্থীদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। এই সকল সম্প্রদায়ের ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে প্রার্থীরা বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন।