বয়স মাত্র ১৫। এই বয়সে ম্যাক্স ডোম্যানের তো আসলে স্কুলে থাকার কথা। অথচ এই কিশোর ফুটবলারের এরই মধ্যে আর্সেনালের হয়ে অভিষেকও হয়ে গেল। শুধু তাই নয়, ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে একাদশে (প্রথম একাদশে) খেলে নতুন একটা রেকর্ডও গড়ে ফেললেন তিনি।
বুধবার রাতে এই কিশোর প্রতিভা ম্যাক্স ডোম্যানের অভিষেকের রাতেই কারাবাও কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে আর্সেনাল ২-০ গোলে ব্রাইটনকে হারিয়ে দিয়েছে। এই জয়ের ফলে তারা টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালেও উঠে গেছে।
মাত্র ১৫ বছর ৩০২ দিন বয়সে, ডোম্যান গত মৌসুমে জ্যাক পোর্টারের গড়া রেকর্ডটি ভেঙে দিলেন। পোর্টার ১৬ বছর ৭২ দিন বয়সে এই একই প্রতিযোগিতায় ব্রাইটনের বিপক্ষেই গোলকিপার হিসেবে খেলেছিলেন।
অবশ্য এই মৌসুমের শুরুতেই ডোম্যান আর্সেনাল আর প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে সিনিয়র দলে খেলে ফেলেছিলেন, তবে সেদিন তিনি বদলি হিসেবে নেমেছিলেন লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে। ক্লাব এবং লিগ—উভয় ক্ষেত্রেই সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়ের রেকর্ডটি এখনও ইথান নওনেরির দখলেই আছে, যিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মাত্র ১৫ বছর ১৮১ দিন বয়সে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন।
বুধবার এমিরেটস স্টেডিয়ামে ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচটায় ডোম্যান ৭১ মিনিট পর্যন্ত খেলেছেন। এরপর তার জায়গায় মাঠে নামেন বুকায়ো সাকা, যিনি পরে আর্সেনালের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করে দলের ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।
ম্যাচ শেষে আর্সেনালের কোচ মিকেল আর্তেতা এই তরুণ প্রতিভা ডোম্যানকে নিয়ে বলেন, ‘ওকে যখন প্রথম বললাম যে সে এই ম্যাচে খেলবে, ওর মুখে শুধু ছোট্ট একটা হাসি ফুটে উঠেছিল। ওর মধ্যে সবকিছুই খুব স্বাভাবিক। কোনো বাড়াবাড়ি নেই, কোনো ভয়ডর নেই। এটাই ওর আসল শক্তি। ১৫ বছর বয়সে প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়দের পাশ কাটিয়ে বল নিয়ে ছুটে যাওয়া, এটা সত্যিই একটা বিশেষ ব্যাপার।’
আর্তেতা আরও বলেন, ‘ওর বয়স এখনো অনেক কম। জীবনের অনেক নতুন কিছুর সাথে ওকে মানিয়ে নিতে হচ্ছে। আমরা এটা নিশ্চিত করতে চাই যে, সে যেন সঠিক পথেই এগোয়, ধৈর্য ধরে সবকিছু শেখে এবং ঠিকঠাকভাবে বেড়ে ওঠে।’
রিপোর্টারের নাম 

























