ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

সীতাকুণ্ডে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগে সরব আসলাম চৌধুরীর স্ত্রী ও কন্যা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে সরব হয়ে উঠেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা। ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী জামিলা নাজনীল মাওলা ও একমাত্র কন্যা মেহরীন আনহার উজমা। গত কয়েকদিন ধরে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা ও জনসংযোগের মাধ্যমে তাঁরা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত মঙ্গলবার বিকেলে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের দক্ষিণ ইদিলপুর এলাকার ভূঁইয়া বাড়িতে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মহিলা নেত্রী কমিশনার মাহমুদা বেগমের সভাপতিত্বে এবং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন রফিকের সঞ্চালনায় এই বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসলাম চৌধুরীর সহধর্মিণী জামিলা নাজনীল মাওলা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ অংশ নেন।

উঠান বৈঠকে জামিলা নাজনীল মাওলা বলেন, অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং তিনি একজন জনহিতৈষী মানুষ। সীতাকুণ্ডের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার যে অঙ্গীকার তিনি করেছেন, তা আজীবন অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে আসলাম চৌধুরীর বিকল্প নেই। ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শামিল হতে তিনি আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁর স্বামীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে তিনি সীতাকুণ্ড পৌর সদর থেকে সোনাইছড়ি এলাকা পর্যন্ত ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষের কুশল বিনিময় করেন এবং প্রার্থীর সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে আসলাম চৌধুরীকে দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় কারাবরণ করতে হয়েছে। তবুও তিনি সাধারণ মানুষের সেবায় পিছপা হননি; বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রদান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও চক্ষু শিবিরের মতো মানবিক কাজগুলো তিনি নিরলসভাবে করে গেছেন।

অন্যদিকে, আসলাম চৌধুরীর একমাত্র কন্যা মেহরীন আনহার উজমা উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় জনসংযোগ করেন। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি কেবল একজন রাজনীতিকের সন্তান হিসেবে নয়, বরং একজন মেয়ে হিসেবে আপনাদের কাছে দোয়া চাইতে এসেছি। আমার বাবা সততা ও আদর্শের রাজনীতি করেন। সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক ও মডেল জনপদে রূপান্তর করাই তাঁর প্রধান স্বপ্ন।”

গণসংযোগকালে মেহরীন প্রবীণদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন এবং তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিয়ে মতবিনিময় করেন। বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সীতাকুণ্ড গড়তে তিনি ধানের শীষের পক্ষে সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন কামনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

সীতাকুণ্ডে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগে সরব আসলাম চৌধুরীর স্ত্রী ও কন্যা

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে সরব হয়ে উঠেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা। ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী জামিলা নাজনীল মাওলা ও একমাত্র কন্যা মেহরীন আনহার উজমা। গত কয়েকদিন ধরে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা ও জনসংযোগের মাধ্যমে তাঁরা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত মঙ্গলবার বিকেলে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের দক্ষিণ ইদিলপুর এলাকার ভূঁইয়া বাড়িতে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মহিলা নেত্রী কমিশনার মাহমুদা বেগমের সভাপতিত্বে এবং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন রফিকের সঞ্চালনায় এই বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসলাম চৌধুরীর সহধর্মিণী জামিলা নাজনীল মাওলা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ অংশ নেন।

উঠান বৈঠকে জামিলা নাজনীল মাওলা বলেন, অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং তিনি একজন জনহিতৈষী মানুষ। সীতাকুণ্ডের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার যে অঙ্গীকার তিনি করেছেন, তা আজীবন অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে আসলাম চৌধুরীর বিকল্প নেই। ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শামিল হতে তিনি আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁর স্বামীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে তিনি সীতাকুণ্ড পৌর সদর থেকে সোনাইছড়ি এলাকা পর্যন্ত ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষের কুশল বিনিময় করেন এবং প্রার্থীর সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে আসলাম চৌধুরীকে দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় কারাবরণ করতে হয়েছে। তবুও তিনি সাধারণ মানুষের সেবায় পিছপা হননি; বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রদান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও চক্ষু শিবিরের মতো মানবিক কাজগুলো তিনি নিরলসভাবে করে গেছেন।

অন্যদিকে, আসলাম চৌধুরীর একমাত্র কন্যা মেহরীন আনহার উজমা উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় জনসংযোগ করেন। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি কেবল একজন রাজনীতিকের সন্তান হিসেবে নয়, বরং একজন মেয়ে হিসেবে আপনাদের কাছে দোয়া চাইতে এসেছি। আমার বাবা সততা ও আদর্শের রাজনীতি করেন। সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক ও মডেল জনপদে রূপান্তর করাই তাঁর প্রধান স্বপ্ন।”

গণসংযোগকালে মেহরীন প্রবীণদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন এবং তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিয়ে মতবিনিময় করেন। বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সীতাকুণ্ড গড়তে তিনি ধানের শীষের পক্ষে সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন কামনা করেন।