নির্বাচন কমিশন কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সততা ও স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, যারা যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ না করে ভোট প্রদান করবে, তাদের ভোট বাতিল বলে গণ্য হবে।
মঙ্গলবার (তারিখ) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার এসব কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, সাধারণ ব্যালট এবং পোস্টাল ব্যালট একই সময়ে গণনা করা হবে। তবে পোস্টাল ব্যালট গণনার ক্ষেত্রে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। প্রতিটি ব্যালটে ১১৯টি প্রতীক থাকার কারণে, প্রবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে তাদের ভোটদানের বিষয়টি এজেন্টদের দেখিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণের মধ্যে ভোট দেওয়ার প্রবল আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের এই প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটদানের সুযোগ সৃষ্টি করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য। অনেক সময় দেখা যায়, অসাধু চক্র প্রতিপক্ষের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়। ভোটাররা নিজেদের পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে আসতে পারেন, এতে কোনো বাধা নেই। তবে, কোনো পরিস্থিতিতেই যেন কেউ অন্য ভোটারদের ভোটদানে বাধা দিতে না পারে, তা প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।
পোস্টাল ব্যালট দুটি ভাগে সম্পন্ন হবে: প্রবাস থেকে এবং দেশের ভেতর থেকে। প্রবাসী ভোটারদের পাঠানো ভোট ডাক বিভাগের মাধ্যমে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ব্যালটগুলো স্থানীয় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা হবে।
জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসারসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটদানের পরিবেশ, গণভোট এবং আনুষঙ্গিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























