ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবম বেতন কমিশনের প্রতিবেদন জমা: সর্বোচ্চ বেতন ১.৬ লাখ, সর্বনিম্ন ২০ হাজার; ব্যয় বাড়বে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কমিশনের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিবেদন জমা পড়েছে। পূর্বনির্ধারিত সময়সীমার প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন পেশ করা হয়। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের ওপর অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার আর্থিক চাপ তৈরি হবে।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে নবম বেতন কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয়। এই প্রতিবেদনে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মোট ২০টি নতুন বেতন স্কেলের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের বার্ষিক ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। নবম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো কার্যকর হলে সরকারের এই ব্যয়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা যোগ হবে, যা রাষ্ট্রের কোষাগারের ওপর একটি বড় আর্থিক প্রভাব ফেলবে।

প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সাথে পেনশন, চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভাতাও প্রায় একই হারে বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে, যা সরকারি কর্মীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সুপারিশগুলো এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল ফিতরে টানা ছুটির হাতছানি: জেনে নিন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের অবকাশের সময়সূচি

নবম বেতন কমিশনের প্রতিবেদন জমা: সর্বোচ্চ বেতন ১.৬ লাখ, সর্বনিম্ন ২০ হাজার; ব্যয় বাড়বে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কমিশনের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিবেদন জমা পড়েছে। পূর্বনির্ধারিত সময়সীমার প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন পেশ করা হয়। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের ওপর অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার আর্থিক চাপ তৈরি হবে।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে নবম বেতন কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয়। এই প্রতিবেদনে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মোট ২০টি নতুন বেতন স্কেলের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের বার্ষিক ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। নবম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো কার্যকর হলে সরকারের এই ব্যয়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা যোগ হবে, যা রাষ্ট্রের কোষাগারের ওপর একটি বড় আর্থিক প্রভাব ফেলবে।

প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সাথে পেনশন, চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভাতাও প্রায় একই হারে বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে, যা সরকারি কর্মীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সুপারিশগুলো এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা করা হবে।