ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার অনুপস্থিতিতে নতুন সমীকরণ: ধানের শীষ, হাতপাখা ও দেওয়াল ঘড়ির লড়াই

পটুয়াখালী, [তারিখ]: একসময়ের আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। দলটির অংশগ্রহণের অনুপস্থিতিতে এই আসনটিতে এবার ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে প্রধান লড়াইয়ে নেমেছে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট। এছাড়া, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর উপস্থিতি ভোটের হিসাব-নিকাশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

কলাপাড়া ও নদীবেষ্টিত রাঙ্গাবালী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক অঞ্চল। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর পায়রা, তিনটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো এই আসনের অন্তর্ভুক্ত। ফলে, এটি কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

নির্বাচন অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭ হাজার ৪৭৩ জন। এর মধ্যে কলাপাড়া উপজেলায় ২ লাখ ১৩ হাজার ৩১৯ জন এবং রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৯৪ হাজার ৫৫৪ জন ভোটার রয়েছেন।

বিএনপি’র আশা ও প্রস্তুতি:

বিএনপি এবার তাদের দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেনকে (ধানের শীষ) প্রার্থী করেছে। প্রতীক বরাদ্দের আগেই তিনি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে নির্বাচনী মাঠ গোছানোর কাজ সম্পন্ন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দৃশ্যমান সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “ধানের শীষে ভোট পেয়ে নির্বাচিত হলে পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটাকে কেন্দ্র করে বৃহৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। উপকূলীয় জনপদের মানুষকে আর অবহেলিত থাকতে দেওয়া হবে না।” বিএনপি নেতাকর্মীদের ধারণা, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে তাদের নিজস্ব ভোটব্যাংকের পাশাপাশি ভাসমান ভোটের একটি বড় অংশ তাদের দিকে ঝুঁকতে পারে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ:

এই আসনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা)। তিনি একসময়ের পরিচিত মুখ এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা হিসেবে তার নিজস্ব ভোটব্যাংক ও স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। গত বছর ৬ মে দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে বিএনপি ছেড়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়মিত গণসংযোগ, কর্মী সমাবেশ ও দাওয়াতি কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠ শক্ত করছেন। তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে নয়, ইসলামী আদর্শ, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছি। মানুষ পরিবর্তন চায়, আমি সেই পরিবর্তনের প্রতিনিধি হতে চাই।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক বিএনপি ভোটারদের একটি অংশ এবং ধর্মপ্রাণ ভোটারদের একটি বড় অংশ ইসলামী আন্দোলনের দিকে ঝুঁকতে পারে।

১০ দলীয় জোটের কৌশল:

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল কাইউম দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে ১০ দলীয় জোটের মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে (দেওয়াল ঘড়ি) সমর্থন জানিয়েছেন। ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং একসময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। যদিও নির্বাচনী মাঠে তাকে তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় দেখা যাচ্ছে, তবে জোটের নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক যোগাযোগ ও ভোটার ঐক্য গঠনে কাজ করছেন।

গণঅধিকার পরিষদের ভূমিকা:

গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য মো. রবিউল হাসান (ট্রাক) স্বতন্ত্র ধারার রাজনীতি ও সংস্কারের বার্তা নিয়ে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি মূল লড়াইয়ে সরাসরি প্রভাব ফেলতে না পারলেও ভোট বিভাজনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

ভোটের হিসাব–নিকাশ:

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে দলটির দীর্ঘদিনের ভোটব্যাংক বর্তমানে সম্পূর্ণ ভাসমান। এই ভোট কোন দিকে যাবে – বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন, নাকি ১০ দলীয় জোটের দিকে – তা নিয়েই চলছে মূল হিসাব–নিকাশ। এছাড়া, ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা না হওয়ায় ধর্মভিত্তিক ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার দলীয় পরিচয়ের চেয়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা, সততা এবং এলাকার জন্য কাজ করার সক্ষমতাই ভোটারদের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়ী, শিক্ষক, রিকশাচালক এবং তরুণ ভোটারদের মুখে একই কথা – “দল দেখে নয়, যোগ্য মানুষকে ভোট দেব।” এই ভিন্ন মেরুকরণের নির্বাচন পটুয়াখালী-৪ আসনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছুটির দিনে শিশু প্রহর, বইমেলায় ফিরেছে প্রাণের স্পন্দন

পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট

আপডেট সময় : ০৩:০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার অনুপস্থিতিতে নতুন সমীকরণ: ধানের শীষ, হাতপাখা ও দেওয়াল ঘড়ির লড়াই

পটুয়াখালী, [তারিখ]: একসময়ের আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। দলটির অংশগ্রহণের অনুপস্থিতিতে এই আসনটিতে এবার ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে প্রধান লড়াইয়ে নেমেছে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট। এছাড়া, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর উপস্থিতি ভোটের হিসাব-নিকাশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

কলাপাড়া ও নদীবেষ্টিত রাঙ্গাবালী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক অঞ্চল। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর পায়রা, তিনটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো এই আসনের অন্তর্ভুক্ত। ফলে, এটি কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

নির্বাচন অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭ হাজার ৪৭৩ জন। এর মধ্যে কলাপাড়া উপজেলায় ২ লাখ ১৩ হাজার ৩১৯ জন এবং রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৯৪ হাজার ৫৫৪ জন ভোটার রয়েছেন।

বিএনপি’র আশা ও প্রস্তুতি:

বিএনপি এবার তাদের দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেনকে (ধানের শীষ) প্রার্থী করেছে। প্রতীক বরাদ্দের আগেই তিনি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে নির্বাচনী মাঠ গোছানোর কাজ সম্পন্ন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দৃশ্যমান সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “ধানের শীষে ভোট পেয়ে নির্বাচিত হলে পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটাকে কেন্দ্র করে বৃহৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। উপকূলীয় জনপদের মানুষকে আর অবহেলিত থাকতে দেওয়া হবে না।” বিএনপি নেতাকর্মীদের ধারণা, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে তাদের নিজস্ব ভোটব্যাংকের পাশাপাশি ভাসমান ভোটের একটি বড় অংশ তাদের দিকে ঝুঁকতে পারে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ:

এই আসনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা)। তিনি একসময়ের পরিচিত মুখ এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা হিসেবে তার নিজস্ব ভোটব্যাংক ও স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। গত বছর ৬ মে দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে বিএনপি ছেড়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়মিত গণসংযোগ, কর্মী সমাবেশ ও দাওয়াতি কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠ শক্ত করছেন। তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে নয়, ইসলামী আদর্শ, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছি। মানুষ পরিবর্তন চায়, আমি সেই পরিবর্তনের প্রতিনিধি হতে চাই।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক বিএনপি ভোটারদের একটি অংশ এবং ধর্মপ্রাণ ভোটারদের একটি বড় অংশ ইসলামী আন্দোলনের দিকে ঝুঁকতে পারে।

১০ দলীয় জোটের কৌশল:

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল কাইউম দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে ১০ দলীয় জোটের মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে (দেওয়াল ঘড়ি) সমর্থন জানিয়েছেন। ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং একসময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। যদিও নির্বাচনী মাঠে তাকে তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় দেখা যাচ্ছে, তবে জোটের নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক যোগাযোগ ও ভোটার ঐক্য গঠনে কাজ করছেন।

গণঅধিকার পরিষদের ভূমিকা:

গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য মো. রবিউল হাসান (ট্রাক) স্বতন্ত্র ধারার রাজনীতি ও সংস্কারের বার্তা নিয়ে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি মূল লড়াইয়ে সরাসরি প্রভাব ফেলতে না পারলেও ভোট বিভাজনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

ভোটের হিসাব–নিকাশ:

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে দলটির দীর্ঘদিনের ভোটব্যাংক বর্তমানে সম্পূর্ণ ভাসমান। এই ভোট কোন দিকে যাবে – বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন, নাকি ১০ দলীয় জোটের দিকে – তা নিয়েই চলছে মূল হিসাব–নিকাশ। এছাড়া, ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা না হওয়ায় ধর্মভিত্তিক ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার দলীয় পরিচয়ের চেয়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা, সততা এবং এলাকার জন্য কাজ করার সক্ষমতাই ভোটারদের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়ী, শিক্ষক, রিকশাচালক এবং তরুণ ভোটারদের মুখে একই কথা – “দল দেখে নয়, যোগ্য মানুষকে ভোট দেব।” এই ভিন্ন মেরুকরণের নির্বাচন পটুয়াখালী-৪ আসনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে।