ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

নাটোরের সিংড়ায় বিএনপি নেতাকে গলা কেটে হত্যা, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নাটোরের সিংড়া উপজেলায় নিজ বাড়ির সামনে অধ্যাপক রেজাউল করিম (৫৩) নামে এক বিএনপি নেতাকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কলম ইউনিয়নের কুমারপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত রেজাউল করিম নাটোর জেলা জিয়া পরিষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বিল হালতি ত্রিমোহনী ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার রশিদ রিপনের চাচা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১১টার দিকে অধ্যাপক রেজাউল করিমের চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন এগিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তারা রাস্তার পাশে গলা কাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করা হলেও কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা একই গ্রামের ওহাব আলীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। যদিও বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা আগুন লাগার সময় বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, কিন্তু আগুনে পুড়ে ছাবিহা (৭৫) নামে ওহাব আলীর বৃদ্ধা মা মারা যান।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি

নাটোরের সিংড়ায় বিএনপি নেতাকে গলা কেটে হত্যা, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:১৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

নাটোরের সিংড়া উপজেলায় নিজ বাড়ির সামনে অধ্যাপক রেজাউল করিম (৫৩) নামে এক বিএনপি নেতাকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কলম ইউনিয়নের কুমারপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত রেজাউল করিম নাটোর জেলা জিয়া পরিষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বিল হালতি ত্রিমোহনী ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার রশিদ রিপনের চাচা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১১টার দিকে অধ্যাপক রেজাউল করিমের চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন এগিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তারা রাস্তার পাশে গলা কাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করা হলেও কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা একই গ্রামের ওহাব আলীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। যদিও বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা আগুন লাগার সময় বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, কিন্তু আগুনে পুড়ে ছাবিহা (৭৫) নামে ওহাব আলীর বৃদ্ধা মা মারা যান।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।