ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকট: বহির্নোঙরে অচলাবস্থা, আমদানিকারকদের পথে বসার উপক্রম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজের নজিরবিহীন সংকটের কারণে এক ভয়াবহ অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তিন লাখ টনেরও বেশি পণ্যবাহী ৮৫টিরও বেশি মাদার ভেসেল গভীর সাগরে অলস অপেক্ষায় দিন গুনছে। এর ফলে আমদানিকারকদের প্রতিদিন প্রতিটি জাহাজের বিপরীতে ১২ থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ ওয়েটিং চার্জ গুনতে হচ্ছে, যা সরাসরি ভোক্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে এই সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রাফটের অভাব থাকায় বড় জাহাজগুলো সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারে না। এই কারণে, বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ মাদার ভেসেলগুলো থেকে ছোট লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস করে তা দেশের বিভিন্ন নৌঘাটে পাঠানো হয়। যদিও অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় দেড় হাজার লাইটার জাহাজ থাকার কথা, তবে বাস্তবে বর্তমানে এক হাজারেরও কম জাহাজ সক্রিয় রয়েছে। বাকি জাহাজগুলো স্ক্র্যাপ হয়ে যাওয়া, ডকে থাকা অথবা অন্য রুটে চলাচলের কারণে অপারেশনের বাইরে।

স্বাভাবিক সময়ে বহির্নোঙরে ৩২ থেকে ৩৫টি পণ্যবাহী মাদার ভেসেল অপেক্ষা করে। হাজার খানেক লাইটার জাহাজ সার্বক্ষণিক অপারেশনে থাকলে এ সংখ্যক মাদার ভেসেল হ্যান্ডলিং করা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে বহির্নোঙরে পণ্যবাহী মাদার ভেসেলের সংখ্যা ৮৫ ছাড়িয়ে গেছে। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেশন সেল (বিডব্লিউটিসিসি), যা লাইটারেজ জাহাজ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত লাইটার জাহাজ সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে, সংকট ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করেছে এবং বহির্নোঙরে জাহাজের জট কেবল বেড়েই চলেছে।

বিডব্লিউটিসিসির নির্বাহী পরিচালক মেজর (অব.) জিএম খান জানান, হঠাৎ করেই চট্টগ্রাম বন্দরে মাদার ভেসেল আসার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দ্রুত পণ্য খালাস করা অসম্ভব করে তুলেছে। এর ফলে জট তৈরি হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএডিসি বিপুল পরিমাণ সার আমদানি করেছে, কিন্তু তাদের নিজস্ব গুদাম নেই। সার বহনকারী লাইটার জাহাজগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গেলেও দেড় থেকে দুই মাস পর্যন্ত ফিরে আসছে না। বর্তমানে, শুধু বিএডিসি-র ১৫৩টি লাইটার জাহাজ ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পাশাপাশি, বড় শিল্প গোষ্ঠীগুলো হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ গম আমদানি করেছে এবং প্রায় দেড়শ লাইটার জাহাজ বিভিন্ন ঘাটে ভাড়া নিয়ে আটকে রেখেছে। এভাবে প্রায় ৩০০ জাহাজ অপারেশনের বাইরে চলে গেছে। এছাড়াও, বিভিন্ন কোম্পানি লাইটার ভাড়া নিয়ে তাদের পণ্য আটকে রেখেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ জাহাজ বিভিন্ন এলাকায় আটকে থাকার কারণে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সংখ্যক মাদার ভেসেল আসার কারণে এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বলেন, প্রতি বছর রমজানের আগে এই সময়ে লাইটার জাহাজের সংকট দেখা দেয়। গত ২০-২৫ বছর ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে এই সংকট লেগেই আছে, তবে এবার তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বন্দর, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং লাইটার জাহাজ মালিকদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। তিনি আরও বলেন, শুধু লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করাই নয়, বিভিন্ন ঘাটে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত জেটিগুলো বর্তমানের বর্ধিত চাপ সামলাতে সক্ষম নয়। সংকটের সময়ে নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড অভিযানের নামে জরিমানা করে, যা লাইটার মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

জাহাজ ব্যবসায়ী লিটমন শিপিংয়ের মালিক বেলায়েত হোসেন জানান, একটি মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস করতে দৈনিক তিন থেকে চারটি লাইটার জাহাজের প্রয়োজন হয়। সেই হিসাবে, বহির্নোঙরে ৮৫টি জাহাজের জন্য দৈনিক ২৬৫ থেকে ৩২০টি লাইটার জাহাজের চাহিদা থাকলেও, বিডব্লিউটিসিসি মাত্র ৪৫ থেকে ৬০টির বেশি লাইটার সরবরাহ করতে পারছে। এর ফলে পণ্য খালাস মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংকটের সমাধান না হলে, আসছে রমজানে নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের মুখপাত্র পরিচালক (প্রশাসন) ওমর ফারুক জানান, রমজানের আগে প্রতি বছর বাল্ক কার্গো আমদানি বৃদ্ধি পায় এবং এবারও তাই হয়েছে। পূর্বে একটি ৫০ হাজার টনের মাদার ভেসেল চার-পাঁচ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করতে পারত, কিন্তু এখন সেখানে ৮-৯ দিন সময় লাগছে। লাইটার জাহাজের সংকটের কারণে নিরবচ্ছিন্ন অপারেশন বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি স্বীকার করেন যে, অনেক লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম এলাকায় বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন এবং কোনো জাহাজ ৭২ ঘণ্টার বেশি পণ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে, একটি জাহাজ যখন পণ্য নিয়ে দেশের অন্য গন্তব্যে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, তখন বন্দরের কিছু করার থাকে না। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বন্দর কর্তৃপক্ষ তাগিদ দিয়েছে যাতে ঘাট এলাকাগুলোতে স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটরা অভিযান পরিচালনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্মেলন: সুশাসন ও গ্রাহকের আস্থা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ

চট্টগ্রাম বন্দরে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকট: বহির্নোঙরে অচলাবস্থা, আমদানিকারকদের পথে বসার উপক্রম

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজের নজিরবিহীন সংকটের কারণে এক ভয়াবহ অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তিন লাখ টনেরও বেশি পণ্যবাহী ৮৫টিরও বেশি মাদার ভেসেল গভীর সাগরে অলস অপেক্ষায় দিন গুনছে। এর ফলে আমদানিকারকদের প্রতিদিন প্রতিটি জাহাজের বিপরীতে ১২ থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ ওয়েটিং চার্জ গুনতে হচ্ছে, যা সরাসরি ভোক্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে এই সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রাফটের অভাব থাকায় বড় জাহাজগুলো সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারে না। এই কারণে, বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ মাদার ভেসেলগুলো থেকে ছোট লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস করে তা দেশের বিভিন্ন নৌঘাটে পাঠানো হয়। যদিও অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় দেড় হাজার লাইটার জাহাজ থাকার কথা, তবে বাস্তবে বর্তমানে এক হাজারেরও কম জাহাজ সক্রিয় রয়েছে। বাকি জাহাজগুলো স্ক্র্যাপ হয়ে যাওয়া, ডকে থাকা অথবা অন্য রুটে চলাচলের কারণে অপারেশনের বাইরে।

স্বাভাবিক সময়ে বহির্নোঙরে ৩২ থেকে ৩৫টি পণ্যবাহী মাদার ভেসেল অপেক্ষা করে। হাজার খানেক লাইটার জাহাজ সার্বক্ষণিক অপারেশনে থাকলে এ সংখ্যক মাদার ভেসেল হ্যান্ডলিং করা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে বহির্নোঙরে পণ্যবাহী মাদার ভেসেলের সংখ্যা ৮৫ ছাড়িয়ে গেছে। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেশন সেল (বিডব্লিউটিসিসি), যা লাইটারেজ জাহাজ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত লাইটার জাহাজ সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে, সংকট ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করেছে এবং বহির্নোঙরে জাহাজের জট কেবল বেড়েই চলেছে।

বিডব্লিউটিসিসির নির্বাহী পরিচালক মেজর (অব.) জিএম খান জানান, হঠাৎ করেই চট্টগ্রাম বন্দরে মাদার ভেসেল আসার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দ্রুত পণ্য খালাস করা অসম্ভব করে তুলেছে। এর ফলে জট তৈরি হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএডিসি বিপুল পরিমাণ সার আমদানি করেছে, কিন্তু তাদের নিজস্ব গুদাম নেই। সার বহনকারী লাইটার জাহাজগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গেলেও দেড় থেকে দুই মাস পর্যন্ত ফিরে আসছে না। বর্তমানে, শুধু বিএডিসি-র ১৫৩টি লাইটার জাহাজ ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পাশাপাশি, বড় শিল্প গোষ্ঠীগুলো হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ গম আমদানি করেছে এবং প্রায় দেড়শ লাইটার জাহাজ বিভিন্ন ঘাটে ভাড়া নিয়ে আটকে রেখেছে। এভাবে প্রায় ৩০০ জাহাজ অপারেশনের বাইরে চলে গেছে। এছাড়াও, বিভিন্ন কোম্পানি লাইটার ভাড়া নিয়ে তাদের পণ্য আটকে রেখেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ জাহাজ বিভিন্ন এলাকায় আটকে থাকার কারণে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সংখ্যক মাদার ভেসেল আসার কারণে এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বলেন, প্রতি বছর রমজানের আগে এই সময়ে লাইটার জাহাজের সংকট দেখা দেয়। গত ২০-২৫ বছর ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে এই সংকট লেগেই আছে, তবে এবার তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বন্দর, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং লাইটার জাহাজ মালিকদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। তিনি আরও বলেন, শুধু লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করাই নয়, বিভিন্ন ঘাটে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত জেটিগুলো বর্তমানের বর্ধিত চাপ সামলাতে সক্ষম নয়। সংকটের সময়ে নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড অভিযানের নামে জরিমানা করে, যা লাইটার মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

জাহাজ ব্যবসায়ী লিটমন শিপিংয়ের মালিক বেলায়েত হোসেন জানান, একটি মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস করতে দৈনিক তিন থেকে চারটি লাইটার জাহাজের প্রয়োজন হয়। সেই হিসাবে, বহির্নোঙরে ৮৫টি জাহাজের জন্য দৈনিক ২৬৫ থেকে ৩২০টি লাইটার জাহাজের চাহিদা থাকলেও, বিডব্লিউটিসিসি মাত্র ৪৫ থেকে ৬০টির বেশি লাইটার সরবরাহ করতে পারছে। এর ফলে পণ্য খালাস মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংকটের সমাধান না হলে, আসছে রমজানে নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের মুখপাত্র পরিচালক (প্রশাসন) ওমর ফারুক জানান, রমজানের আগে প্রতি বছর বাল্ক কার্গো আমদানি বৃদ্ধি পায় এবং এবারও তাই হয়েছে। পূর্বে একটি ৫০ হাজার টনের মাদার ভেসেল চার-পাঁচ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করতে পারত, কিন্তু এখন সেখানে ৮-৯ দিন সময় লাগছে। লাইটার জাহাজের সংকটের কারণে নিরবচ্ছিন্ন অপারেশন বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি স্বীকার করেন যে, অনেক লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম এলাকায় বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন এবং কোনো জাহাজ ৭২ ঘণ্টার বেশি পণ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে, একটি জাহাজ যখন পণ্য নিয়ে দেশের অন্য গন্তব্যে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, তখন বন্দরের কিছু করার থাকে না। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বন্দর কর্তৃপক্ষ তাগিদ দিয়েছে যাতে ঘাট এলাকাগুলোতে স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটরা অভিযান পরিচালনা করেন।