ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত এবং ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ের অর্থ হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জনগণের সরাসরি সম্মতিকে বাধ্যতামূলক করা। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, জুলাই বিপ্লবের অর্জনকে টেকসই রূপ দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে যে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে, তা কার্যকর করার জন্য জনগণের এই গণরায় অত্যন্ত অপরিহার্য।

ভিডিও বার্তায় ড. ইউনূস রাষ্ট্র পরিচালনায় আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, এই সনদের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, যা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ভারসাম্য আনবে। এছাড়া নতুন এই ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং কোনো ব্যক্তিই দশ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের অংশীদার হতে তিনি সবাইকে নিজে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও এই প্রক্রিয়ায় উদ্বুদ্ধ করার অনুরোধ জানান।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভরাডুবি: ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হওয়ার ঝুঁকিতে শ্রীলঙ্কা, সাঙ্গাকারার কড়া হুঁশিয়ারি

বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০১:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত এবং ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ের অর্থ হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জনগণের সরাসরি সম্মতিকে বাধ্যতামূলক করা। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, জুলাই বিপ্লবের অর্জনকে টেকসই রূপ দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে যে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে, তা কার্যকর করার জন্য জনগণের এই গণরায় অত্যন্ত অপরিহার্য।

ভিডিও বার্তায় ড. ইউনূস রাষ্ট্র পরিচালনায় আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, এই সনদের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, যা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ভারসাম্য আনবে। এছাড়া নতুন এই ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং কোনো ব্যক্তিই দশ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের অংশীদার হতে তিনি সবাইকে নিজে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও এই প্রক্রিয়ায় উদ্বুদ্ধ করার অনুরোধ জানান।