আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের চারটি সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার প্রতিটি আসন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিএনপি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী এবং খেলাফত মজলিস চমক দেখানোর লক্ষ্যে জোর প্রচার শুরু করেছে।
নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। মহাজোটের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ, বিদ্রোহী প্রার্থীদের অবস্থান এবং স্থানীয় ভোটারদের ভোটব্যাংক—সব মিলিয়ে হবিগঞ্জের চারটি আসনেই ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে।
হবিগঞ্জ-১ (বাহুবল-নবীগঞ্জ)
এই আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া সহ প্রায় ছয়জন নেতা মনোনয়ন পেতে জোর লবিং চালাচ্ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী প্রযুক্তি ও অর্থনীতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার পুত্র। মনোনয়ন প্রাপ্তির পর দলে কিছুটা বিভেদ সৃষ্টি হলেও বর্তমানে দলীয় কর্মীরা তার পক্ষে সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করছেন। তবে, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণে বিএনপির ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার একটি আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও তার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নিয়ে আজই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সিলেট মহানগরীর সেক্রেটারি শাহজাহান আলী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে বদরুল রেজা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্থানীয় ভোটারদের ধারণা, বিএনপির ভোট যদি ভাগ হয়ে যায়, তবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সুবিধা পেতে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 























