ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

বিপদ সংকেত পাঠানো ইরানি যুদ্ধজাহাজ ও ১৮৩ নাবিককেকে আশ্রয় দিল ভারত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস লাভান এবং তার ১৮৩ নাবিককে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। জাহাজটি ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রযুক্তিগত সমস্যায় বিপদ সংকেত পাঠায়। যেদিন মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।

ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার জানিয়েছে, কচিতে জাহাজটির নোঙরের জন্য আবেদন এসেছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। ডকিং অনুমোদন করা হয় ১ মার্চ, এবং ৪ মার্চ থেকে জাহাজটি কচিতে অবস্থান করছে। সরকারি একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাহাজের নাবিকদের জন্য কচিতে থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঘটনাটি এমন সময় আসে, যখন ভারত এ সপ্তাহেই সমালোচনার মুখে পড়েছে। এর আগে এক ইরানি জাহাজ আইআরআইএস ডেনা মার্কিন সাবমেরিনের টরপেডো হামলায় আক্রান্ত হয়। এতে ৮০-এর বেশি নাবিক নিহত হন, ৩২ জনকে উদ্ধার করা যায় এবং শতাধিক নিখোঁজ হন। তবে ভারত এখনও সেই হামলার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি।

ভারত সরকার জানায়, আইআরআইএস লাভানকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে মানবিক দৃষ্টিকোণ এবং নাবিকদের নিরাপত্তাকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

এসআর

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের ভূমিকার কড়া সমালোচনা ইরানের: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নীরবতা ভাঙার আহ্বান

বিপদ সংকেত পাঠানো ইরানি যুদ্ধজাহাজ ও ১৮৩ নাবিককেকে আশ্রয় দিল ভারত

আপডেট সময় : ০২:১২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস লাভান এবং তার ১৮৩ নাবিককে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। জাহাজটি ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রযুক্তিগত সমস্যায় বিপদ সংকেত পাঠায়। যেদিন মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।

ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার জানিয়েছে, কচিতে জাহাজটির নোঙরের জন্য আবেদন এসেছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। ডকিং অনুমোদন করা হয় ১ মার্চ, এবং ৪ মার্চ থেকে জাহাজটি কচিতে অবস্থান করছে। সরকারি একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাহাজের নাবিকদের জন্য কচিতে থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঘটনাটি এমন সময় আসে, যখন ভারত এ সপ্তাহেই সমালোচনার মুখে পড়েছে। এর আগে এক ইরানি জাহাজ আইআরআইএস ডেনা মার্কিন সাবমেরিনের টরপেডো হামলায় আক্রান্ত হয়। এতে ৮০-এর বেশি নাবিক নিহত হন, ৩২ জনকে উদ্ধার করা যায় এবং শতাধিক নিখোঁজ হন। তবে ভারত এখনও সেই হামলার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি।

ভারত সরকার জানায়, আইআরআইএস লাভানকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে মানবিক দৃষ্টিকোণ এবং নাবিকদের নিরাপত্তাকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

এসআর