আসন্ন নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ (সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর থেকেই ভোটের মাঠ সরগরম। তবে, এই আসনের লাখাই উপজেলায় এবার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে। স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের প্রভাব এখানে তুলনামূলক কম হওয়ায় বিএনপি প্রার্থীরা এবার জামায়াতকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার অনেক আগে থেকেই উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক এবং গণসংযোগে নির্বাচনী পরিবেশ জমে উঠেছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই পর্ব শেষে এখন প্রার্থীরা চূড়ান্ত প্রচারণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতের নির্বাচনগুলোতে লাখাইয়ে জামায়াত চতুর্থ অবস্থানে থাকলেও, এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বিএনপি প্রার্থীরাও এই নতুন সমীকরণ মাথায় রেখেই ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন এবং জামায়াতকে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করছেন।
আসনটিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাতজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন জিকে গউছ (বিএনপি), কাজী মহসিন আহমদ (জামায়াত), মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন), চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান (গণঅধিকার পরিষদ), আব্দুল মুমিন চৌধুরী (জাতীয় পার্টি), শাহীনুর রহমান (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট) এবং এসএম সরওয়ার (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলনসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা থাকলেও তাদের তেমন কোনো বড় ধরনের প্রচার-প্রচারণা বা সভা-সমাবেশ দেখা যাচ্ছে না। ফলে এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীকেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন সাধারণ ভোটাররা। স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, হবিগঞ্জ সদর-৩ আসনের লাখাই উপজেলায় উভয় দলেরই শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে, ভোটের ফলাফল মূলত ভোটারদের উপস্থিতি এবং শেষ মুহূর্তের প্রচারণার ওপরই নির্ভরশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 






















