ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

চাঁদপুরের তিন কৃতী সন্তানকে সংবর্ধনা: ন্যানো বিজ্ঞানী ড. জামাল উদ্দিনের নিজ গ্রামে সম্মাননা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম মেনাপুরে কৃতী সন্তানদের সম্মাননা জানানো হয়েছে। ন্যানো প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক ড. জামাল উদ্দিন, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. পিয়ার আহম্মেদ এবং ঢাকা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম জসিম উদ্দিনকে শনিবার (আজ) মেনাপুর বাজারে পীর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পীর বাদশা মিয়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের ছবক উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রাপ্ত তিন কৃতি সন্তানকেই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, তিন জনই ডক্টরেট ডিগ্রিধারী।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের কপিন স্টেট ইউনিভার্সিটির ন্যানো প্রযুক্তি বিষয়ক কেন্দ্রের পরিচালক এবং বিখ্যাত ন্যানো বিজ্ঞানী ড. জামাল উদ্দিন এই গ্রামেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি তাঁর নিজ গ্রামের মানুষের জন্য কিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রতি বছর দেশে এসে তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজ করেন, যাতে তারা নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তাঁর নিজ জন্মস্থান মেনাপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠারও পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে ড. জামাল উদ্দিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “আমি এই গ্রামে বড় হয়েছি। আমি চাই, আমার এই প্রিয় গ্রামের মানুষের জন্য কিছু করতে। তাই প্রতি বছর দেশে আসি। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করি। যাতে করে এদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজেকে একজন যোগ্য ব্যক্তিতে পরিণত করতে পারে। এ ছাড়া নিজ জন্মস্থান মেনাপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে।”

দেলোয়ার হোসেন দুলু মিজির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জার্মানী ভাষার শিক্ষক ড. আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, পীর বাদশা মিয়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার সভাপতি মো. ইকবাল হাসান এবং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান। তাঁদের বক্তব্যে সম্মাননা প্রাপ্তদের গৌরবময় অবদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে তাঁদের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ

চাঁদপুরের তিন কৃতী সন্তানকে সংবর্ধনা: ন্যানো বিজ্ঞানী ড. জামাল উদ্দিনের নিজ গ্রামে সম্মাননা

আপডেট সময় : ১০:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম মেনাপুরে কৃতী সন্তানদের সম্মাননা জানানো হয়েছে। ন্যানো প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক ড. জামাল উদ্দিন, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. পিয়ার আহম্মেদ এবং ঢাকা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম জসিম উদ্দিনকে শনিবার (আজ) মেনাপুর বাজারে পীর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পীর বাদশা মিয়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের ছবক উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রাপ্ত তিন কৃতি সন্তানকেই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, তিন জনই ডক্টরেট ডিগ্রিধারী।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের কপিন স্টেট ইউনিভার্সিটির ন্যানো প্রযুক্তি বিষয়ক কেন্দ্রের পরিচালক এবং বিখ্যাত ন্যানো বিজ্ঞানী ড. জামাল উদ্দিন এই গ্রামেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি তাঁর নিজ গ্রামের মানুষের জন্য কিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রতি বছর দেশে এসে তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজ করেন, যাতে তারা নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তাঁর নিজ জন্মস্থান মেনাপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠারও পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে ড. জামাল উদ্দিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “আমি এই গ্রামে বড় হয়েছি। আমি চাই, আমার এই প্রিয় গ্রামের মানুষের জন্য কিছু করতে। তাই প্রতি বছর দেশে আসি। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করি। যাতে করে এদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজেকে একজন যোগ্য ব্যক্তিতে পরিণত করতে পারে। এ ছাড়া নিজ জন্মস্থান মেনাপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে।”

দেলোয়ার হোসেন দুলু মিজির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জার্মানী ভাষার শিক্ষক ড. আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, পীর বাদশা মিয়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার সভাপতি মো. ইকবাল হাসান এবং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান। তাঁদের বক্তব্যে সম্মাননা প্রাপ্তদের গৌরবময় অবদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে তাঁদের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।