ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা: উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ সামনে রেখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের নিয়ে এক বিশাল ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার ফুলছড়া চা বাগান প্রাঙ্গণে এই সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তৌহিদুজ্জামান পাভেল। চা শ্রমিকদের ভোটাধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে চা বাগানের প্রতিটি শ্রমিকের ভোটের মূল্য অপরিসীম। ভোটাররা যাতে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, প্রশাসন সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি উপস্থিত সকলকে সচেতন নাগরিক হিসেবে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বান জানান।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মামুনুর রশীদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পংকজ কন্দ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা। এছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ফিনলে চা বাগান কর্তৃপক্ষ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, চা বাগান এলাকার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনের আমেজ পৌঁছে দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন।

সভায় ফুলছড়া চা বাগানের কয়েকশ নারী ও পুরুষ শ্রমিক অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে অংশগ্রহণ করেন। প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শ্রমিকরা আগামী নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মূলত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ভোটের গুরুত্ব ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেজওয়ানা ও খলিলুরের গ্রেফতার চায় জামায়াত

শ্রীমঙ্গলে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা: উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান

আপডেট সময় : ০৩:১২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ সামনে রেখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের নিয়ে এক বিশাল ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার ফুলছড়া চা বাগান প্রাঙ্গণে এই সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তৌহিদুজ্জামান পাভেল। চা শ্রমিকদের ভোটাধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে চা বাগানের প্রতিটি শ্রমিকের ভোটের মূল্য অপরিসীম। ভোটাররা যাতে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, প্রশাসন সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি উপস্থিত সকলকে সচেতন নাগরিক হিসেবে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বান জানান।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মামুনুর রশীদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পংকজ কন্দ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা। এছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ফিনলে চা বাগান কর্তৃপক্ষ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, চা বাগান এলাকার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনের আমেজ পৌঁছে দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন।

সভায় ফুলছড়া চা বাগানের কয়েকশ নারী ও পুরুষ শ্রমিক অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে অংশগ্রহণ করেন। প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শ্রমিকরা আগামী নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মূলত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ভোটের গুরুত্ব ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।