শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪টি শিক্ষাভবনের মোট ৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। এদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে নির্বাচনের বিস্তারিত কেন্দ্র তালিকা ও বুথ বিন্যাস সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে ৬টি কেন্দ্রে মোট ১৭৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাভবন-সি, শিক্ষাভবন-ডি, শিক্ষাভবন-ই, নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন (দুটি কেন্দ্র) এবং সেন্টার অব এক্সিলেন্স ভবন।
ভোটার বিন্যাস অনুযায়ী, ছাত্রদের তিনটি হলের জন্য তিনটি পৃথক কেন্দ্র বরাদ্দ করা হয়েছে। বিজয়-২৪ হলের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাভবন-সি কেন্দ্রে, শাহপরাণ হলের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাভবন-ই কেন্দ্রে এবং সৈয়দ মুজতবা আলী হলের শিক্ষার্থীরা সেন্টার অব এক্সিলেন্স ভবন কেন্দ্রে তাদের ভোট প্রদান করবেন। অন্যদিকে, ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের দুটি কেন্দ্রে বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী হল ও ফাতিমা তুজ জাহরা হলের ছাত্রীরা এবং শিক্ষাভবন-ডি কেন্দ্রে আয়েশা সিদ্দিকা হলের ছাত্রীরা ভোট দেবেন।
এবারের শাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৩০ জন। পরিসংখ্যন অনুযায়ী, শাহপরাণ হলের ২ হাজার ২১৬ জন, সৈয়দ মুজতবা আলী হলের ১ হাজার ৪২৫ জন, বিজয়-২৪ হলের ২ হাজার ১৭৫ জন, বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী হলের ১ হাজার ১৮১ জন, ফাতিমা তুজ জাহরা হলের ৬৮৭ জন এবং আয়েশা সিদ্দিকা হলের ১ হাজার ৩৪৬ জন শিক্ষার্থী ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।
সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ জানান, নির্ধারিত ছয়টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং নতুন করে কেন্দ্র বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভোটার বিন্যাস ও বুথ সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সংখ্যার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের একটি হলের ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে দুটি পৃথক কেন্দ্র বরাদ্দ করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিতে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 























