ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

শরিফুলের বিধ্বংসী বোলিংয়ে নোয়াখালীর বিদায়, প্লে-অফের পথে চট্টগ্রাম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। আজ এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ৫ উইকেটের পরাজয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল দলটি। বন্দরনগরীর দলের জয়ে মূল ভূমিকা রাখেন বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম, যার বিধ্বংসী বোলিংয়েই মূলত ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। পরে অধিনায়ক শেখ মাহেদি ও আসিফ আলীর অপরাজিত জুটিতে ভর করে সহজ জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা করেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। প্রথম তিন ওভারেই ৩৪ রান তুলে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছিল তারা। কিন্তু এরপরই দৃশ্যপটে আসেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। তার অসাধারণ বোলিং তোপে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে নোয়াখালী। একাই ৫ উইকেট শিকার করে নোয়াখালীর ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান শরিফুল। ফলস্বরূপ, ১৯.৫ ওভারে মাত্র ১২৬ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। দলের পক্ষে হাসান ঈসাখিল ২০ বলে ২৫, জাকের আলী ২২ বলে ২৩ এবং সাব্বির হোসেন ১৯ বলে ২২ রান করেন।

জবাবে ১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। ২৯ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। মনে হচ্ছিল, নোয়াখালীর বোলাররা হয়তো ম্যাচটি নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে আনতে সক্ষম হবে। তবে পঞ্চম উইকেট জুটিতে হাসান নাওয়াজ ও অধিনায়ক শেখ মাহেদি ৪০ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক চাপ সামাল দেন। হাসান নাওয়াজ ১৪ বলে ১১ রান করে ফিরে গেলেও, জয়ের আশা জিইয়ে রাখেন অধিনায়ক মাহেদি।

এরপর শেখ মাহেদির সঙ্গে যোগ দেন আসিফ আলী। এই জুটি আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি। দেখেশুনে খেলতে খেলতে রানের চাকা সচল রাখেন তারা। অধিনায়ক শেখ মাহেদি ৩৬ বলে অপরাজিত ৪৯ রানের এক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন, আর আসিফ আলী ৩০ বলে খেলেন অপরাজিত ৩৬ রানের কার্যকরী ইনিংস। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটির কল্যাণে ১৮ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রয়্যালস।

এই জয়ের ফলে চট্টগ্রাম রয়্যালস প্লে-অফের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল, অন্যদিকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম, যিনি মাত্র ৯ রান খরচায় ৫টি মূল্যবান উইকেট শিকার করে নোয়াখালীর ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধকে ভয় পায় না, আত্মসমর্পণের চেয়েও বেশি ভীত

শরিফুলের বিধ্বংসী বোলিংয়ে নোয়াখালীর বিদায়, প্লে-অফের পথে চট্টগ্রাম

আপডেট সময় : ১০:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। আজ এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ৫ উইকেটের পরাজয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল দলটি। বন্দরনগরীর দলের জয়ে মূল ভূমিকা রাখেন বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম, যার বিধ্বংসী বোলিংয়েই মূলত ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। পরে অধিনায়ক শেখ মাহেদি ও আসিফ আলীর অপরাজিত জুটিতে ভর করে সহজ জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা করেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। প্রথম তিন ওভারেই ৩৪ রান তুলে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছিল তারা। কিন্তু এরপরই দৃশ্যপটে আসেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। তার অসাধারণ বোলিং তোপে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে নোয়াখালী। একাই ৫ উইকেট শিকার করে নোয়াখালীর ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান শরিফুল। ফলস্বরূপ, ১৯.৫ ওভারে মাত্র ১২৬ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। দলের পক্ষে হাসান ঈসাখিল ২০ বলে ২৫, জাকের আলী ২২ বলে ২৩ এবং সাব্বির হোসেন ১৯ বলে ২২ রান করেন।

জবাবে ১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। ২৯ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। মনে হচ্ছিল, নোয়াখালীর বোলাররা হয়তো ম্যাচটি নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে আনতে সক্ষম হবে। তবে পঞ্চম উইকেট জুটিতে হাসান নাওয়াজ ও অধিনায়ক শেখ মাহেদি ৪০ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক চাপ সামাল দেন। হাসান নাওয়াজ ১৪ বলে ১১ রান করে ফিরে গেলেও, জয়ের আশা জিইয়ে রাখেন অধিনায়ক মাহেদি।

এরপর শেখ মাহেদির সঙ্গে যোগ দেন আসিফ আলী। এই জুটি আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি। দেখেশুনে খেলতে খেলতে রানের চাকা সচল রাখেন তারা। অধিনায়ক শেখ মাহেদি ৩৬ বলে অপরাজিত ৪৯ রানের এক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন, আর আসিফ আলী ৩০ বলে খেলেন অপরাজিত ৩৬ রানের কার্যকরী ইনিংস। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটির কল্যাণে ১৮ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রয়্যালস।

এই জয়ের ফলে চট্টগ্রাম রয়্যালস প্লে-অফের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল, অন্যদিকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম, যিনি মাত্র ৯ রান খরচায় ৫টি মূল্যবান উইকেট শিকার করে নোয়াখালীর ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।