চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান চলাকালে আটক এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প কমান্ডারসহ অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসাথে এ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসিতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। অভিযানে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই ফার্মেসিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ৯ এমএম পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
অভিযান শেষে আটক শামসুজ্জামান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত নিকটস্থ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পের কমান্ডারসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সকল সদস্যকে ইতোমধ্যে সেনানিবাসে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো সদস্যের অবহেলা বা দোষ প্রমাণিত হলে সেনা আইন অনুযায়ী কঠোর ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর সেখানে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























