ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

টেকনাফে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত শিশুর অবস্থার অবনতি: উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হচ্ছে ঢাকায়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত ৯ বছর বয়সী শিশু হুজাইফা আফনানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে তাকে চট্টগ্রাম থেকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকায় পাঠানোর সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শিশু হুজাইফার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হলেও ভেতরে বিঁধে থাকা গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হারুনুর রশিদ জানান, বিশেষজ্ঞ নিউরো সার্জনদের একটি দল দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন। তবে গুলিটি মস্তিষ্কের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থান করায় তা অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আপাতত ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছা ব্রিজের কাছে নাফ নদীর ওপার থেকে আসা গুলিতে হুজাইফা আহত হয়। সে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের বড় সন্তান এবং হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। তিন ভাইবোনের মধ্যে হুজাইফাই সবার বড়। সীমান্তে চলমান অস্থিরতার মধ্যে হঠাৎ আসা এই গুলিতে শিশুটি গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেটা এআই চ্যাটে আত্মহত্যার ইঙ্গিত পেলে অভিভাবক ও জরুরি সেবার কাছে বার্তা যাবে

টেকনাফে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত শিশুর অবস্থার অবনতি: উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হচ্ছে ঢাকায়

আপডেট সময় : ০৪:১৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত ৯ বছর বয়সী শিশু হুজাইফা আফনানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে তাকে চট্টগ্রাম থেকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকায় পাঠানোর সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শিশু হুজাইফার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হলেও ভেতরে বিঁধে থাকা গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হারুনুর রশিদ জানান, বিশেষজ্ঞ নিউরো সার্জনদের একটি দল দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন। তবে গুলিটি মস্তিষ্কের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থান করায় তা অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আপাতত ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছা ব্রিজের কাছে নাফ নদীর ওপার থেকে আসা গুলিতে হুজাইফা আহত হয়। সে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের বড় সন্তান এবং হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। তিন ভাইবোনের মধ্যে হুজাইফাই সবার বড়। সীমান্তে চলমান অস্থিরতার মধ্যে হঠাৎ আসা এই গুলিতে শিশুটি গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।