নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি তুলা প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালে আড়াইহাজার থানাধীন ফতেপুর ইউনিয়নের লালুরকান্দি এলাকায় অবস্থিত এই কারখানায় আগুন লেগে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
কারখানার মালিক স্থানীয় বাসিন্দা মো. সামাদ, যিনি প্রয়াত রহমান মেম্বারের ছেলে। তার দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তুলা, গার্মেন্টস ঝুট এবং কারখানার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকালে হঠাৎ করেই কারখানার ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা তুলা, গার্মেন্টস ঝুট এবং মেশিনারিজ সহ কারখানার একটি বড় অংশ গ্রাস করে। আগুনের কবলে পড়ে তুলা তৈরির তিনটি মেশিন, একটি মোটরসহ কারখানার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভস্মীভূত হয়ে যায়।
খবর পেয়ে আড়াইহাজার উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ শুরু করে। এ সময় আড়াইহাজার থানার পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভানোর কাজে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহায়তা করেন। প্রায় এক ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
এ প্রসঙ্গে আড়াইহাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। মেশিনপত্র পুড়ে কারখানার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।”
আড়াইহাজার ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ রবিউল জানান, “আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করছি, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। যেহেতু ঝুট গোডাউনের পাশেই তুলা তৈরির কারখানাটি অবস্থিত ছিল, তাই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে জানানো হবে।”
রিপোর্টারের নাম 

























