চলমান নৈরাজ্যের অবসান ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে আগামী জাতীয় নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের বিএনপি নেতারা। কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ব্রিজবেনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কর্মজীবন নিয়ে এক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেছেন কুইন্সল্যান্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপির নেতারা।
ব্রিজবেনের অক্সফোর্ড রোডের ওইএস হল এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ব্রিজবেনের বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবী বাঙালিরা যোগ দেন। উপস্থিত ছিলেন অনেক গৃহিনী।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন সহনশীলতার প্রতীক। তিনি দেশেরগণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে দীর্ঘ ত্যাগ শিকার করেছেন। শুধু তাই শেষ জীবনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বর্বর নির্যাতন সহ্য করেও তিনি দেশের সেবা করে গেছেন বলেও উল্লেখ করেন আলোচকরা।
এসময় আলোচকরা আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকার যেভাবে বিএনপি’র চেয়ারপার্সনকে একটি পরিত্যাক্ত কারাগারে বন্দি রেখেছিল তা বিশ্বের ইতিহাসে এক বর্বর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। যদিও তারপরও শেখ হাসিনার পতনের পর তাঁর দলীয় নেতাকর্মীদের সহিংসতা পরিহার করে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছিলেন খালেদা খালেদা জিয়া।
অনুষ্ঠানে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডক্টর মোহাম্মদ ইসলাম, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন অবেহেলা ও নিষ্ঠুর আচরণের বিবরণ তুলে ধরেন।
আলোচনা শেষে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্রিজবেন বিএনপি সহ সভাপতি সাঈদ চৌধুরি বলেন, খালেদা জিয়া সব সময়ই সহিংসতা পরিহার করে চলেছেন। বর্তমান দ্বন্দ্বমুখর সময়ে তাকে বাংলাদেশের খুব দরকার ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কুইন্সল্যান্ড বিএনপির সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বাংলাদেশে এখন স্থিতিশীলতা দরকার। আর একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই এই স্থিতিশীলতা আসতে পারে।
এছাড়া সুন্দর ভবিষ্যত গড়তে আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন আলোচকরা।
রিপোর্টারের নাম 

























