ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘এনইআইআর বাস্তবায়নে কমবে সিম ও ডিভাইস কেন্দ্রিক অপরাধ’

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিকদের সিম এবং অনিবন্ধিত ডিভাইস কেন্দ্রিক অপরাধ, আর্থিক প্রতারণা ও জালিয়াতি থেকে মুক্তির পথ তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। 

রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন পরিদর্শনের সময় তিনি এই কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি হামলার ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। 

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক যে, এই হামলাটি সেদিনই ঘটল যেদিন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একক খাত হিসেবে বৈধ মোবাইল আমদানিতে সর্বোচ্চ শুল্ক কমানো হয়েছে। আমদানি শুল্ক প্রায় ৬০ শতাংশ কমানোর বিষয়টিকে স্বাগত না জানিয়ে রাষ্ট্রীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হামলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।” 

ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বিশেষ সহকারী বলেন, “গত ১ জানুয়ারির আগে যেসব ফোন বাংলাদেশে এসেছে, সেগুলো সচল থাক বা অবিক্রিত থাক— সব ফোনই আমরা বৈধ করে নেবো। ইতোমধ্যে সাতটি প্রতিষ্ঠান তাদের অবিক্রিত ফোনের আইএমইআই তালিকা জমা দিয়েছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান এখনও দেয়নি; তাদেরকে সম্ভবত ভুল বোঝানো হচ্ছে অথবা বাধা দেওয়া হচ্ছে।” তিনি এই ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে সবাইকে এনইআইআর বাস্তবায়নে সহযোগিতার আহ্বান জানান। 

পরিদর্শনকালে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারীসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানের বালু সাম্রাজ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: ১৪ মাসে অর্ধশত সংঘর্ষ, নিহত ২, হাতবদল নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক মেরুকরণ

‘এনইআইআর বাস্তবায়নে কমবে সিম ও ডিভাইস কেন্দ্রিক অপরাধ’

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিকদের সিম এবং অনিবন্ধিত ডিভাইস কেন্দ্রিক অপরাধ, আর্থিক প্রতারণা ও জালিয়াতি থেকে মুক্তির পথ তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। 

রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন পরিদর্শনের সময় তিনি এই কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি হামলার ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। 

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক যে, এই হামলাটি সেদিনই ঘটল যেদিন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একক খাত হিসেবে বৈধ মোবাইল আমদানিতে সর্বোচ্চ শুল্ক কমানো হয়েছে। আমদানি শুল্ক প্রায় ৬০ শতাংশ কমানোর বিষয়টিকে স্বাগত না জানিয়ে রাষ্ট্রীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হামলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।” 

ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বিশেষ সহকারী বলেন, “গত ১ জানুয়ারির আগে যেসব ফোন বাংলাদেশে এসেছে, সেগুলো সচল থাক বা অবিক্রিত থাক— সব ফোনই আমরা বৈধ করে নেবো। ইতোমধ্যে সাতটি প্রতিষ্ঠান তাদের অবিক্রিত ফোনের আইএমইআই তালিকা জমা দিয়েছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান এখনও দেয়নি; তাদেরকে সম্ভবত ভুল বোঝানো হচ্ছে অথবা বাধা দেওয়া হচ্ছে।” তিনি এই ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে সবাইকে এনইআইআর বাস্তবায়নে সহযোগিতার আহ্বান জানান। 

পরিদর্শনকালে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারীসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।