ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চিত্রগ্রাহক আব্দুল লতিফ বাচ্চু মারা গেছেন

স্বনামধন্য চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু আর নেই। রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্য জনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন এই চিত্রগ্রাহক।  তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

আব্দুল লতিফ বাচ্চুর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু। 

তিনি বলেন, ‘আব্দুল লতিফ বাচ্চু চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা চলচ্চিত্রের একজন অভিভাবককে হারালাম। চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির পক্ষ থেকে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’

আব্দুল লতিফ বাচ্চু শুধুমাত্র একজন চিত্রগ্রাহক নন, তিনি ছিলেন একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্র পরিকল্পক এবং আলোকচিত্র শিল্পী। তার অসাধারণ ক্যামেরার চোখে ফুটে উঠেছে বাংলা চলচ্চিত্রের নানামাত্রিক সৌন্দর্য। তিনি পরিচালক হিসেবে অনেক ছবি পরিচালনা করেছেন। ‘যাদুর বাঁশী’, ‘নতুন বউ’, ‘স্বামীর ঘর’সহ বেশ কয়েকটি যৌথ প্রযোজনার ছবিও নির্মাণ করেন।  

আশির দশকে সিনেমার চিত্রগ্রহণে তার বৈচিত্র্য ও মুন্সিয়ানা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের আজও মন ছুঁয়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্য দূর করার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

চিত্রগ্রাহক আব্দুল লতিফ বাচ্চু মারা গেছেন

আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

স্বনামধন্য চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু আর নেই। রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্য জনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন এই চিত্রগ্রাহক।  তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

আব্দুল লতিফ বাচ্চুর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু। 

তিনি বলেন, ‘আব্দুল লতিফ বাচ্চু চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা চলচ্চিত্রের একজন অভিভাবককে হারালাম। চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির পক্ষ থেকে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’

আব্দুল লতিফ বাচ্চু শুধুমাত্র একজন চিত্রগ্রাহক নন, তিনি ছিলেন একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্র পরিকল্পক এবং আলোকচিত্র শিল্পী। তার অসাধারণ ক্যামেরার চোখে ফুটে উঠেছে বাংলা চলচ্চিত্রের নানামাত্রিক সৌন্দর্য। তিনি পরিচালক হিসেবে অনেক ছবি পরিচালনা করেছেন। ‘যাদুর বাঁশী’, ‘নতুন বউ’, ‘স্বামীর ঘর’সহ বেশ কয়েকটি যৌথ প্রযোজনার ছবিও নির্মাণ করেন।  

আশির দশকে সিনেমার চিত্রগ্রহণে তার বৈচিত্র্য ও মুন্সিয়ানা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের আজও মন ছুঁয়ে যায়।