শেষ মুহূর্তে দানি ওলমো ও রবের্ত লেভানদোভস্কির দুই গোলে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওলের মাঠ থেকে ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বার্সেলোনা। শনিবারের এই জয়ে লা লিগার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে কাতালানরা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের চেয়ে তাদের ব্যবধান এখন সাত পয়েন্ট। ম্যাচ শেষে অবশ্য কোচ হান্সি ফ্লিক সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে।
কারণটাও স্বাভাবিক। ডার্বি ম্যাচে দীর্ঘ সময় ধরেই এস্পানিওল তাদের চাপে রাখতে পেরেছিল। তার ওপর সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে খেলতে নেমে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভে বার্সাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন গার্সিয়া। শেষ পর্যন্ত ৮৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা ওলমোর বাঁকানো শটেই আসে কাঙ্ক্ষিত গোল।
ওই গোলের যোগানদাতা অবশ্য ফেরমিন লোপেজ। এরপর আরেক বদলি খেলোয়াড় লেভানদোভস্কির জন্যও সহজ সুযোগ তৈরি করে দেন তিনি। পোলিশ স্ট্রাইকার গোলটি করে নিশ্চিত করেন বার্সার নবম টানা লিগ জয়। তাতে এস্পানিওলের টানা পাঁচ ম্যাচের জয়ের ধারাতেও ছেদ টেনে দেয় তারা।
ম্যাচ শেষে ফ্লিক তাই বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আমাদের এই জয়টা প্রাপ্য ছিল না। তবে পরিবর্তনের পর মাঠে যে মানের খেলোয়াড় নামানো হয়েছিল, সেটাই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। তবে সবার আগে হোয়ান গার্সিয়াকে ধন্যবাদ দিতে চাই। সে অবিশ্বাস্যভাবে খেলেছে। বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকদের একজন।’
লিগে পাঁচ নম্বরে থাকা এস্পানিওল জমজমাট লড়াইয়ে অন্তত এক পয়েন্ট পেতেই পারত। কিন্তু শেষদিকে বার্সার বদলি খেলোয়াড়রাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ রবিবার নিজেদের মাঠে রিয়াল বেতিসের মুখোমুখি হবে।
৩০ বছরের বেশি সময় পর এস্পানিওল থেকে সরাসরি বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া প্রথম খেলোয়াড় হওয়ায় গার্সিয়াকে ম্যাচজুড়ে তীব্র দুয়ো শুনতে হয়। বড় নিরাপত্তা জাল টানানো হয় গোলপোস্টের পেছনে, যাতে দর্শকদের ছোড়া কোনও কিছু তার দিকে না আসে। গ্যালারিতে ইঁদুরের ছবি সংবলিত ব্যানারও দেখা যায়। এই বৈরী পরিবেশেই প্রথমার্ধে দুটি দারুণ সেভ করে দলকে সমতার মাঝে রাখেন গার্সিয়া।
রিপোর্টারের নাম 

























