বিপিএলে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছে রংপুর রাইডার্স।
এক দিন আগে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সুপার ওভারে হারের পর এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রংপুর। সেই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন বোলাররা। ফাহিম আশরাফ ১৮ রানে নেন ৩টি, মোস্তাফিজুর রহমান ২৪ রানে নেন সমসংখ্যক উইকেট। তাদের বোলিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৪ রানে থামে সিলেট।
এই ম্যাচে ব্যক্তিগত এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন দ্য ফিজ। টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম পেসার হিসেবে ৪০০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি। ম্যাচ শুরুর আগে তার উইকেট সংখ্যা ছিল ৩৯৯। প্রথম ওভারেই সিলেট অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকে ফিরিয়ে ৪০০ পূর্ণ করেন। পরে আরও একটি নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন ৪০২ উইকেট নিয়ে। যা এসেছে ৩১৫তম ম্যাচে।
সিলেটের হয়ে ৩১ বলে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন আফিফ হোসেন। এছাড়া ইথান ব্রুকসের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ৩২ রান। তবে বাকিরা তেমন উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।
জবাবে সতর্ক সূচনা করে রংপুর। লিটন দাস (৩৫) ও কাইল মেয়ার্স (৩১) কিছুটা ভিত গড়লেও ১৪.৫ ওভারে ৯৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মাহমুদউল্লাহ। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ১৬ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৩৪ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। যার মধ্যে ছিল মিরাজের করা ১৬তম ওভারে টানা চারটি বাউন্ডারি। ফলে ম্যাচসেরাও তিনি।
খুশদিল শাহও কার্যকর ভূমিকা রাখেন। ১১ বলে ২চার ও ১ ছক্কায় ১৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিলের মাত্র ২৪ বলে ৫০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ৪ উইকেটে রংপুরকে ১৮.৫ ওভারে পৌঁছে দেয় জয়ের বন্দরে। ফলে তিন ম্যাচে দ্বিতীয় জয় তুলে নেয় রংপুর। আর চার ম্যাচে দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে নেমে গেছে সিলেট টাইটান্স।
রিপোর্টারের নাম 

























