বাড়িভাড়া ৫ শতাংশ বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে নবম দিনের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।
আজ শিক্ষকরা আমরণ অনশনের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশেরও ডাক দিয়েছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহীদ মিনার এলাকায় শিক্ষকদের উপস্থিতি বাড়ছে। কর্মসূচিতে যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষকরা আসছেন।
রবিবার সন্ধ্যায় আন্দোলনরত শিক্ষক সংগঠনগুলোর মোর্চা ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’-এর সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আজ সোমবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী আজকের শিক্ষক সমাবেশে দলে দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। পোস্টে তিনি বলেন, সকাল ১০টায় আজকের শিক্ষক সমাবেশে শহীদ মিনারে দলে দলে যোগ দিন।
এর আগে গতকাল শিক্ষক নেতা আজিজী বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে আলোচনার পর গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। তিনি আমাদের বলেছেন, অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের দাবি নিয়ে কথা বলবেন। আর আগামী ২২ অক্টোবর তিনি শিক্ষকদের মাঝে উপস্থিত হবেন বলে জানিয়েছেন।’
এই শিক্ষক নেতা আরও জানিয়েছেন যে, আমরণ অনশন কর্মসূচিও চলবে এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করবেন।
উল্লেখ্য, তিনটি দাবিতে গত ১২ অক্টোবর থেকে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’-এর ব্যানারে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন। তাদের দাবিগুলো হলো: মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ভাতা, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা করা এবং এমপিওভুক্ত কর্মচারীদের উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করা।
গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ৫% বাড়ানোর আদেশ জারি করলেও তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। পরে বিকেল পৌনে ৪টায় আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা থালা-বাটি হাতে ‘ভুখা মিছিল’ নিয়ে শিক্ষা ভবনের দিকে আসার চেষ্টা করলে হাইকোর্টের মাজার গেটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের আটকে দেন। এরপর বিকেল পৌনে ৫টায় তারা শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচিতে ফিরে যান।
রিপোর্টারের নাম 



















