জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে কার্যক্রম গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাহাবুদ্দিন আজমকে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিনা খন্দকার আন্না তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।
গত ২১ ডিসেম্বর সাহাবুদ্দিন আজমকে রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ টিপু সুলতান। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রবিবার ধার্য করেন। এদিন শুনানিকালে সাহাবুদ্দিন আজমকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাহাবুদ্দিন আজম একজন আওয়ামী লীগের সক্রিয় প্রভাবশালী পদধারী নেতা। এ আসামি মামলার ঘটনার দিন ও সময়ে আদাবর থানা এলাকায় সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ঘটনার দিন সহিংসতায় গার্মেন্টস কর্মী রুবেলের মৃতুর ঘটনায় এ আসামি জড়িত ছিলেন মর্মে তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায় মামলার রহস্য উদঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে সাহাবুদ্দিন আজমের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী এস এম শরীফুল। শুনানি নিয়ে আদালত তার জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ থেকে, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ গত বছরের ৫ আগস্ট রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা সকাল ১১টার দিকে আদাবরের রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ, মৎসজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়। নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গত বছরের ২২ আগস্ট আদাবর থানায় মামলাটি করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম।
রিপোর্টারের নাম 

























